পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

পতিতালয়ে চাকুরী : যা লাগবে..

09440d00ডেস্ক রিপোর্ট : জার্মানির একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পতিতালয়ের সুযোগ সুবিধা যাচাইয়ের জন্য একটি পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। বার্লিন ভিত্তিক ওয়েবসাইট কাউফমিচ.কম নামের ওই ওয়েবসাইটটি ‘ব্রোথেল টেস্টার’ নামের ওই পদে আবেদনের নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা চেয়েছে স্নাতক ডিগ্রি। এ বিজ্ঞাপনে জানানো হয়, এই পদে নির্বাচিতদেরকে পতিতালয়ের সুযোগ-সুবিধা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং যৌনমিলনের নিরাপত্তা সম্পর্কিত তথ্য তুলে ধরতে হবে। কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমেই তাকে এই তথ্য তুলে ধরতে হবে, যেটা করতে গিয়ে তাকে যৌনকর্মীদের সঙ্গে মিলনও করতে হবে।
ওয়েবসাইটটির প্রোডাক্ট ম্যানেজার বেন সংবাদ সংস্থা সিএনবিসি-কে ইমেইলের মাধ্যমে জানান, কাউফমিচ পতিতালয়ের মান এবং মান অনুযায়ী তদের ক্রমাগত সাজানোই আমাদের মূল উদ্দেশ। তিনি আরো বলেন, জার্মানিতে পতিতালয়ের ব্যবসার সম্পূর্ণ বৈধতা থাকলেও অনেক পতিতালয়েরই মান ভালো না। আমরা পতিতালয়ে ভ্রমণের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করতে চাই। এতে কাউফমিচের গ্রাহকরা পতিতালয়ে ভ্রমণের পূর্বেই তার মান সম্পর্কে অবগত হতে পারবেন, ঠিক যেমনটি আপনি হোটেল বুক করার আগে অনলাইনে সেটির মান সম্পর্কে জেনে থাকেন।
বেন আরো বলেন, চাকরিটি যেহেতু পতিতালয়ের মান পরীক্ষার সুতারং যৌনকর্মীর সঙ্গে মিলন এই কাজেরই একটি অংশ। কাউমচি.কম-এর ওই চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবেদনকারীদের অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। ব্যবসায় শিক্ষা শাখার শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন এবং পতিতালয়ে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা এবং এসকর্ট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা বিশেষ যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। স্বাস্থগত কোনো সমস্যা না থাকা এবং জার্মান এবং ফ্রান্স ভাষাও জানতে হবে আপনাকে। বেন বলেন, এ পর্যন্ত এ পদের বিপরীতে ১৫০ টি আবেদন পত্র জমা পড়েছে যাদের বেশিরভাগ আবেদনকারীই জার্মান নাগরিক। তবে এ তালিকায় বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যের নাগরিকরাও রয়েছেন।-সূত্র: হাফিংটন পোস্ট।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on পতিতালয়ে চাকুরী : যা লাগবে..

কুকুর যখন দক্ষ কৃষক !

39846_3743224_403062বিচিত্র ডেস্ক : মানুষের পোষমানা প্রাণীগুলোর মধ্যে কুকুরই সম্ভবত প্রথম। যখন থেকে মানুষকে মনিব মানা শুরু করেছে, তখন থেকে এই প্রাণিটি নিরাপত্তা, সন্ধানকাজ, শিকার ও সাহায্যকারী হিসেবে দৈনন্দিন কাজে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কুকুরকে কখনো কৃষিকাজ করতে দেখা যায়নি, গেছে কি? আবাদি জমিতে কৃষকের পরিবর্তে একটি কুকুর যদি চাষযন্ত্রের হাল ধরে, তাহলে দেখতে কেমন লাগবে ভাবুন তো! আর যা-ই হোক, ঘটনাটি একদম নতুনই বলা যায়। Dog রুশ ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত সাইবেরিয়ার ওমস্ক ওব্লাস্টের তারা শহরে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর এক প্রাক্তন কর্মকর্তা আলেক্সান্দার মাতিতসিন তার পোষা কুকুরকে কৃষিকাজের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। কুকুরটির নাম লেমন। এটি একজন তরুণের চেয়েও দক্ষভাবে আবাদি কাজ সম্পন্ন করতে পারে বলে মাতিতসিনির দাবি। লেমনের মনিব ছিলেন সেনাবাহিনীর কুকুরের প্রশিক্ষক। ফলে সহজেই লেমনকে তিনি কৃষিকাজ শেখাতে পেরেছেন। শুধু তাই নয়, লেমনের আরো গুণ রয়েছে। কৃষিকাজের জন্য টিউবওয়েল থেকে পানি এনে দেয় এটি। নিজেই টিউবওয়েলের ডান্টি চাপতে পারে এবং পানিভর্তি বালতি তার মনিবের নিদের্শনা মতো স্থানে পৌঁছে দেয়। মাতিতসিন জানান, লেমন নতুন কিছু শিখতে খুবই আগ্রহী এবং কোনো কৌশল আয়ত্ত করার পর তা কখনো ভোলে না। সত্যিই, কুকুরের যে এত গুণ, তা হয়তো আগে অনেকেরই জানা ছিল না।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on কুকুর যখন দক্ষ কৃষক !

মন ভালো রাখতে চকলেট

Choklet02_707029938ফিটার ডেস্ক : চকলেট খেতে ছোট-বড় সবাই খুব ভালোবাসে। আর ডার্ক চকলেট হলে তো কথাই নেই! ডার্ক চকলেটের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে আমরা কমবেশি সবাই জানি।
মেডিকেল গবেষণা অনুযায়ী, যারা প্রতিদিন ডার্ক চকলেট খান, তারা যেকোনো প্রশ্নের চটজলদি উত্তর দিতে পারেন। তাদের মস্তিষ্ক দ্রুত কাজ করে বলে তারা যেকোনো সমস্যার সমাধানও দিতে পারেন দ্রুত।
ক্যাফেইন সমৃদ্ধ ডার্ক চকলেট ভালো উদ্দীপকও বটে। তবে এটি কফির চাইতে কম ক্যাফেইন বহন করে। ৪২ গ্রাম ডার্ক চকলেটে রয়েছে প্রায় ২৭ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন। যেখানে এক কাপ কফিতে রয়েছে ২শ’ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন।
ভিটামিন ও মিনারেলের উৎস
ডার্ক চকলেটে রয়েছে পটাশিয়াম, কপার, ম্যাগনেশিয়াম ও আয়রন। কপার ও পটাশিয়াম স্ট্রোকসহ অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। অন্যদিকে, আয়রন অ্যানিমিয়ার প্রতিষেধক এবং ম্যাগনেশিয়াম ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
ফুরফুরে মেজাজ ও উন্নত দৃষ্টিভঙ্গি
ডার্ক চকলেট খেলে মন ভালো থাকে। বিশ্বাস হলো না তো! কারণ, ডার্ক চকলেটে রয়েছে ফিনাইলইথাইল্যামিন (পিইএ) নামে এক ধরনের উপাদান। ঠিক একই রাসায়নিক উপাদান যখন মস্তিষ্কে নিঃসৃত হয় তখন মানুষ প্রেমে পড়ে। পিইএ উপাদানটিই মস্তিষ্কে এনডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হতে সাহায্য করে। আর এনডোরফিন অনুভূতি ও আনন্দকে উদ্দীপ্ত করে। ফলে ব্যক্তির সুখানুভূতি হয়।
এছাড়াও চকলেটে রয়েছে অ্যান্টি-ডিপ্রেজেন্ট সেরেটোনিন যা হতাশা কমায়। যারা প্রতিদিন ডার্ক চকলেট খান তাদের দৃষ্টিভঙ্গি, যারা ডার্ক চকলেট খান না তাদের তুলনায় অনেক ইতিবাচক বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা।
Choklet03_264031494কোলেস্টেরল ও সক্রিয় হৃদপিণ্ড
ডার্ক চকলেট হৃদপিণ্ড ও মস্তিষ্কের ক্রিয়াকে সচল রাখতেও সাহায্য করে। এটি রক্তনালীকে সজীব ও রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখে। কোলেস্টেরল কমাতেও ডার্ক চকলেটের জুড়ি নেই।
একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন ডার্ক চকলেট খেলে উচ্চরক্তচাপ কমে ও ধমনীতে সঠিক মাত্রায় রক্ত প্রবাহিত হয়। ডার্ক চকলেট রক্তে জমা চর্বি দূর করে ও সুন্দর শরীর গঠনে সহায়তা করে।
মজবুত দাঁত ও মাড়ি
অনেকেরই ভুল ধারণা রয়েছে, ডার্ক চকলেট দাঁতের ক্ষতি করে। তবে আশ্চর্য হলেও সত্যি, এটি ব্যাকটেরিয়া দূর করে দাঁতকে ভালো রাখে ও মাড়ি মজবুত করে। এতে রয়েছে থিয়োব্রোমাইন যা দাঁতের এনামেলকে অক্ষত রাখে।
সুস্থ ত্বক
ডার্ক চকলেট খেলে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে। এতে রয়েছে উচ্চমানের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা রেডিক্যালসের সঙ্গে যুদ্ধ করে ত্বককে অক্সিডেটিভ ক্ষয় থেকে বাঁচায়। রেডিক্যালস ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। কোকো গ্রিন টি’র চাইতেও বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হয়, ফলে এটি ময়েশ্চার ধরে রাখে ও ত্বককে কোমল রাখে।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on মন ভালো রাখতে চকলেট

চুইংগাম নিষিদ্ধ সিঙ্গাপুরে

GUMফিচার ডেস্ক : প্রাচ্যের ডান্ডি হিসেবে সিঙ্গাপুরের নাম বেশ পরিচিত। তবে ছোটো একটি নৌ-বন্দর থেকে বিশাল বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে সিঙ্গাপুরকে উঠে আসতে পারি দিতে হয়েছে অনেকটা পথ। আর এই বর্তমান সিঙ্গাপুর হয়ে ওঠার পেছনের কারিগর লী কুয়ান ইয়ে নামের এক সিঙ্গাপুরবাসী। দেশের উন্নতির প্রশ্নে অনেক পরিকল্পনা কিংবা সিদ্ধান্ত এই মানুষটির মাথা থেকেই এসেছে। এমনকি সিঙ্গাপুর থেকে চুইগাম নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও তার মাথা থেকেই এসেছে। কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত লী কুয়ানের।
১৯৯২ সালে সর্বপ্রথম সিঙ্গাপুরে চুইংগাম নিষিদ্ধ করার বিষয়টি আলোচনায় আসে। সেসময় বিদেশি সাংবাদিকরা এই বিষয়টি নিয়ে লী কুয়ানের সঙ্গে আলোচনার করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কুয়ানের পক্ষ থেকে তেমন কোনো সদুত্তর দেয়া না হলেও পরবর্তী সময়ে মার্কিন লেখক টম প্লেটের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন।
যদিও সিঙ্গাপুরে চুইংগাম নিষিদ্ধ করার বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রতিবাদ বা সমাবেশ হয়নি। কারণ কুয়ান গোটা সিঙ্গাপুরকে এমন একটি উন্নত মডেল হিসেবে তৈরি করেছেন যে, কোনো অনৈতিক সিদ্ধান্ত বা নৈতিক সিদ্ধান্ত দেশটির তৃনমূল পর্যায়ে আলোচিত হওয়ার পরেই তা রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আলোচনায় আসে। তাই চুইংগামের বিষয়টি নিয়ে কোনো তর্ক-বিতর্ক হয়নি। দেশটিতে গ্রাফিটি, রাস্তায় থুথু-সর্দি ফেলা, প্রসাব করা, যত্র-তত্র গাড়ি পার্কির করা ইত্যাদি বেশ কঠোর ভাবেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
১৯৬৫ সালে যখন সিঙ্গাপুর স্বাধীনতা লাভ করেন তখন হাতে গোটা কিছু সম্পদ ছিল দেশটির হাতে। তৎকালীন সময়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লী কুয়ান। ক্ষমতায় বসার পরপরই তিনি টিকে থাকার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নেন। এই পরিকল্পনার ফলেই খুব অল্প সময়ের মধ্যে সিঙ্গাপুর কথিত তৃতীয় বিশ্বের অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। তবে বাণিজ্যিক উন্নয়নের আগে সিঙ্গাপুর নজর দেয় তার দেশের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে।
টম প্লেটের বই থেকে জানা যায়, ‘এটা সত্যিকার অর্থেই অ্যান্টি ইউটোপিয়ান। লী কুয়ান ও তার দল অগের সকল ধ্যান ধারণাকে শত্রু হিসেবে গণ্য করে প্রগতির দিকে এগিয়ে যান। তার এই উন্নয়ন পরিকল্পনা এতটাই শক্তিশালী যে ইউটোপিয়াও বেশ সাধারণ একটা ব্যাপার হয়ে যায়। আর এই সাধারণ হিসেব অনুযায়ীই দেশ থেকে চুইংগাম নিষিদ্ধ করা হয়।’
এরকম অনেক আইনের ফলে এবং জনপ্রিয়তার কারণে পরবর্তী ৩১ বছর পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন লী কুয়ান। প্রধানমন্ত্রীত্ব থেকে অবসরে চলে যাওয়ার পরেও ‘সিনিয়র মিনিষ্টার’ হিসেবে দেশের ক্ষমতার ভরকেন্দ্র ধরে রেখেছেন। চুইংগাম নিষিদ্ধের ব্যাপারে একবার বেশ যুক্তিযুক্তভাবেই বক্তব্য তুলে ধরেন লী কুয়ান, ‘আমাদের সাবওয়ের ট্রেনের দরজায় চুইংগাম লাগার কারণে অনেক সময় দরজা খুলতে সমস্যা হয়। আমি এটাকে কোনোভাবেই ভালো বলবো না। এটাকে আমি খারাপ কাজ হিসেবেই চিহ্নিত করবো। আপনি চুইংগাম খাওয়ার বদলে একটা কলা খেতে পারেন।’

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on চুইংগাম নিষিদ্ধ সিঙ্গাপুরে

ব্যাংককে হাল ফ্যাশনের মোটর গাড়ি

automobileফিচার ডেস্ক : থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ২৫ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে ৩৬তম আন্তর্জাতিক মোটর প্রদর্শনী। এশিয়ার মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড় গাড়ির প্রদর্শনী। প্রদর্শনীতে নামী-দামি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হাল ফ্যাশনের মোটর গাড়ির পসরা সাজিয়েছে। এর মধ্যে আছে টয়োটা, বিএমডব্লিউ, চেভরোলেট, ফোর্ড, মাজডা, মিটসুবিশি, নিশান, সুজিকি এবং মার্সিডিজ।
২৪ মার্চ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় মডেলরা অংশ নেন। এরপর ২৫ মার্চ থেকে প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাইল্যান্ডের সংস্কৃতি মন্ত্রী উইরা রাজপুটচানারাত বলেন, ‘থাইল্যান্ডে অটোমোবাইল শিল্প সম্প্রসারণের জন্য ১৯৭৯ সালে থাইল্যান্ডে প্রথম মোটর প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এশিয়ার মধ্যে এটাই বড় আকারের মোটর প্রদর্শনী।’
প্রদর্শনীতে অটোমোবাইল শিল্পের সর্বশেষ সংস্করণ দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া গাড়ির র‌্যালি, অফ রোড রেসিং প্রতিযোগিতা, টিউনিং কার motor-cycleকনটেস্ট, কার অডিও শোয়ের আয়োজন করা হয়েছে।
গাড়ির পাশাপাশি প্রদর্শনীতে মোটর সাইকেলও ঠাঁই পেয়েছে। বিএমডব্লিউ প্রদর্শনীতে নতুন একটি মোটর সাইকেল দর্শকদের সামনে হাজির করেছে। প্রদর্শনীতে নারী মডেলরা নানান রঙে নিজেদের রাঙিয়ে দর্শকদের সামনে গাড়ি প্রদর্শন করছেন। ৫ এপ্রিল শেষ হবে এই প্রদর্শনী।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on ব্যাংককে হাল ফ্যাশনের মোটর গাড়ি

পরা যাবেনা প্যান্ট, বাঁধা যাবেনা চুল

Funny_law_bg_410996236প্রত্যেক দেশেরই নিজস্ব কিছু আইন কানুন থাকে। যেমন আছে তথ্যপ্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়ে থাকা যুক্তরাষ্টের, তেমনই আছে মধ্যপ্রাচ্য বা আফ্রিকার দেশের। যেখানে আইনকানুন দেখে অনেকে ভ্রূ কোঁচকান। আবার অনেকে গলা ফাটিয়ে প্রতিবাদও করেন। কোথাও হয়তো নারীর ভোটাধিকার নেই, তো কোথাও চুল বাঁধতে নিষেধাজ্ঞা।
পৃথিবীর কয়েকটি দেশে এমনই কিছু আইন আছে যা নারীদের খোলসের ভেতর আটকে রেখেছে।
ধরা যাক ভ্যাটিকান সিটির কথা। সেখানে নারীর ভোটাধিকার নেই। এমনকি তারা স্ব-ইচ্ছায় স্বামীকে ডিভোর্স দিতে পারেন না।
অন্যদিকে, তুরস্কে স্বামীর অনুমতি ছাড়া নারীরা কোথাও চাকরি করতে পারেন না। দেশ জুড়ে মোট কর্মচারী মাত্র ২৯ শতাংশ নারী।
উপরের দুই দেশের তুলনায় ইয়েমেন আরও এক ডিগ্রি উপরে। সেদেশে স্বামীর অনুমতি ছাড়া নারীরা বাড়ির বাইরে বের হতে পারেন না। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের একটা ছোট্ট গ্রামও স্থান পেয়েছে এই তালিকায়। উত্তরপ্রদেশের আসরা গ্রামে ৪০ বছরের কম বয়সী কোনো নারী মোবাইল ব্যবহার করতে পারেন না। এমনকি বাজারে কেনাকাটা করাতেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাদের উপর।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানে ফুটবল খেলা নিয়ে রয়েছে আরেক আইন। শর্টপ্যান্ট পড়ে পুরুষদের ফুটবল খেলতে দেখলে নারীদের যৌন ইচ্ছা জেগে উঠতে পারে! এর জন্য আগাম ব্যবস্থা হিসেবে ইরান সরকার ঠিক করেছে, স্টেডিয়ামে গিয়ে ফুটবল ম্যাচ দেখতে পারবেন না নারীরা।
তথ্যপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে সবদিকে এগিয়ে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে চোখ রাখলে দেখা যায়, ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে অবিবাহিত, ডিভোর্সি এবং বিধবা নারীরা স্কাই ডাইভিং করতে পারবেন না, এমন আইন চালু আছে।
অন্যদিকে, টেক্সাস ও টেনেসিতে প্রকাশ্যে স্টকিং Stocking (সমস্ত পা বা পায়ের কিয়দংশ ঢাকা মোজা) ঠিকঠাক করলে, সেটা যদি কারও চোখে পড়ে, তবে ১২ মাস পর্যন্ত জেলে কাটাতে হতে পারে নারীদের।
যুক্তরাষ্ট্রের আরেকটি অঙ্গরাজ্য ভারমন্ট। সেখানে স্ত্রী’কে নকল দাঁত পরতে হলে স্বামীর লিখিত অনুমতি লাগে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের রাজধানী ক্লিভল্যান্ডে মেয়েদের চকচকে জুতো পরার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, চকচকে জুতোয় তাঁদের গোপনাঙ্গের ‘স্বরূপ’ লক্ষ্য করতে পারেন যে কেউ!

যুক্তরাষ্ট্রের ওকলামায় ‘যে রাধে সে চুলও বাঁধে’ প্রবাদটি প্রযোজ্য নয়। সেখানে নারীদের চুল বাঁধতে গেলে (বেনী করা) কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি আবশ্যক।
ব্যতিক্রমী দেশ আফ্রিকার সোয়াজিল্যান্ডে প্যান্ট পরায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে নারীদের উপর।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on পরা যাবেনা প্যান্ট, বাঁধা যাবেনা চুল

উদ্ভট দুবাইকাণ্ড

429ফিচার ডেস্ক : উদ্ভট দুবাইকাণ্ডবছর কয়েক আগে দুবাই নিয়ে একটা গল্প বেশ প্রচলিত ছিল। গল্পটা এরকম ছিল যে, ‘দুবাইয়ের শেখেরা এক লিটার তেলের বদলে এক লিটার পানি কেনে’। গল্পের খাতিরে একটা সময় মানুষ দুবাইকে নিয়ে এরকম কথা প্রায় উড়িয়েই দিত। কিন্তু ২০০০ সাল পরবর্তী দুবাই সম্পর্কে এই কথাটা অনেকটা নয় পুরোটাই সত্যি। কারণ যে দেশের স্থানীয় অধিবাসীদের নেই প্রাতিষ্ঠানিক এবং কারিগরি শিক্ষার জোর, সেই দেশেই প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং বুর্জে খলিফার মতো বিশাল দালান আমাদের অনেক কিছুই বলে দেয়। পশ্চিমের বিলাসপ্রিয় মানুষের প্রথম পছন্দ এখন দুবাই। এখানে টাকা থাকলে বাঘের দুধও পাওয়া যায়।
আর পেট্রোডলারের এই আধিপত্যে দুবাইবাসী এমন অনেককিছুই করেন যা পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে মোটামুটি কল্পনাসম। যেমন ধরা যাক, দুবাইয়ের এক শেখের সকালবেলা ঘুম ভাঙার পর ইচ্ছে হলো তিনি সিংহের পিঠে চড়ে ঘুরে বেড়াবেন। পাইক পেয়াদাকে এই ইচ্ছের কথা বলতে দেরি কিন্তু কার্যকর হতে দেরি হবে না। এরকম অনেক বিচিত্র সব শখ মেটান দেশটির শেখরা। আর এই বিচিত্র শখের কারণে বিশ্ববাসীর কাছে তাদের পরিচিতিও অনেকটা হাস্যকর। বাংলামেইলের পাঠকদের জন্য এমন কিছু আলোকচিত্র তুলে ধরা হলো, যা দেখে দুবাইয়ের শেখদের বিচিত্র সব খেয়ালের ছিটেফোটা নমুনা পাওয়া যাবে।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on উদ্ভট দুবাইকাণ্ড

পাতা মাথায় ওরাংওটাং!

oragখুব শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে সনির বার্ষিক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা ‘সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ড-২০১৫’। আর তাই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আলোকচিত্রীরা পাঠাতে শুরু করেছে তাদের সবচেয়ে ভালো আলোকচিত্র। প্রতিযোগিতায় পাঠানো আলোকচিত্রগুলোর মধ্যে আছে বেশ কিছু ভিন্নধর্মী ছবি যা প্রথম দেখায় আপনার কাছে অত্যাশ্চর্য চিত্র বলে মনে হতেই পারে।
তবে প্রতিযোগিতা শুরু হতে এখনো এক মাস বাকি। এর আগেই দর্শকদের জন্য প্রতিযোগিতার কিছু চিত্তাকর্ষক আলোকচিত্র প্রকাশ করেছে সনি। এগুলো দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। পোষা বিড়াল কোলে এক ইন্দোনেশিয় শিশু, আটলান্টিক দ্বীপের এক ঝাঁক পেঙ্গুইন কিংবা লোহিত মরুভূমির ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বর্ণিল বেলুন। এছাড়া কোলকাতার হুগলি নদীতে এক লোকের পা ধোয়ার মুহূর্ত কিংবা আমাদের বাংলাদেশের দিনাজপুর অঞ্চলে শীতের সকালে এক হিন্দু সাধুর পূজার দৃশটিও কিন্তু দারুন!
কোনটা ছেড়ে কোনটার কথা বলি! সৃষ্টিশীলতার দিক দিয়ে দেখতে গেলে কেউ তো কারো চেয়ে কম না। তবে এদের মধ্যে সবচেয়ে প্রশংসিত হয়েছে ছাতা মাথায় ওরাংওটাংয়ের ছবিটি। এটি তুলেছেন ফটোগ্রাফার অ্যান্ড্রু সুরিয়ানো।
নিজের ছবি সম্পর্কে অ্যান্ড্রু জানান, ‘ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে আমি কিছু ওরাংওটাংয়ের ছবি তুলছিলাম। এ সময় হঠাৎ করেই বৃষ্টি শুরু হল। আমি ক্যামেরা গুটিয়ে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছি। হঠাৎ দেখি, এক ওরাংওটাং কলাগাছ থেকে একটি পাতা ছিড়ে নিল। এরপর পাতাটিকে ছাতার মত নিজের মাথার ওপর মেলে ধরল। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে কী সুন্দর ব্যবস্থা! সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার ডিএসএলআর দিয়ে ওই যাদুকরী মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দী করে ফেললাম।’
সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফির এবারের প্রতিযোগিতা অসাধারণ কিছু ওয়াইল্ডলাইফ এবং ল্যান্ডস্কেপের(পশুদের জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতিক দৃশ্যাবলী) ছবি এসেছে।
প্রসঙ্গত, এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে ২০০৮ সাল থেকে। এখানে ছেলে, বুড়ো, পেশাদার ও শৌখিন সব ধরণের ফটোগ্রাফাররাই অংশ নিতে পারেন। সবমিলিয়ে চারটি বিভাগে এ পুরস্কার দেয়া হয়ে থাকে। আগামী ৫ জানুয়ারিতে শুরু হচ্ছে অপেক্ষাকৃত তরুণদের প্রতিযোগিতাটি। পেশাদার ফটোগ্রাফারদের প্রতিযোগিতা শুরু হবে আরো পরে। তাদের আগামী ৮ জানুয়ারীর মধ্যে ছবি পাঠাতে হবে।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on পাতা মাথায় ওরাংওটাং!

জীবন্ত ভাষ্কর্য

FRONT9ফিচার ডেস্ক : জীবন্ত ভাষ্কর্যলন্ডনের রাস্তায় হরহামেশাই দেখা যায় ‘গোল্ডেন ম্যান’ নামে খ্যাত পলকে। দৈনিক আট ঘণ্টা এবং সপ্তাহে মোট পাঁচদিন রাস্তায় দাড়িয়ে মানুষকে বিনোদন দেন তিনি। কিন্তু কি করে তিনি মানুষকে বিনোদিত করেন, এই প্রশ্ন আসতেই পারে। জীবন্ত ভাষ্কর্য হয়ে মানুষকে আনন্দ দেয়া যেমন পলের কাছে নেশা, তেমনি ভাষ্কর্যের মত একটি শিল্পকে লন্ডনের ব্যস্ত রাস্তায় এনে তা থেকে পয়সা উপার্জন করাও তার কাছে সমান চ্যালেঞ্জের। তবে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রায়ই আঘাতপ্রাপ্ত হতে হয় পলকে।
রাস্তার মানুষ কখনও ঠায় দাড়িয়ে থাকা পলকে চিমটি কেটে দেখে, আবার কখনও বেদম এক ঘুষি দিয়ে দেখতে চায় সত্যিই জীবন্ত কিনা। এমনও হয়েছে যে দর্শনার্থীর ঘুষি খেয়ে টানা কয়েকদিন হাসপাতালেও ছিলেন তিনি। তারপরেও শিল্পী পল দর্শনার্থীর ঘুষি অথবা লাথিকেই তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে নিচ্ছেন। তবে পলের ভাষায় আকাশের কবুতরও কখনও কখনও তার শরীরে বসে মলমূত্র ত্যাগ করেছে এমন নজিরও আছে।
‘এরকম দুবার ঘটেছে। আর প্রায়ই কুকুর এসে আমার শরীরে মূত্র ত্যাগ করে। এটা আমার কাছে অনেকটাই প্রশংসাসূচক। সত্যিই যে আমি ভালো করছি এটা তারই প্রমাণ।’
317লন্ডন শহরে পলের মতো আরও অনেকেই আছেন যারা ভাষ্কর্যের জড় অবস্থাকে ভেঙ্গে জীবন্ত ভাষ্কর্য হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করতে চাইছে। কিন্তু অন্য সবার চেয়ে পলই অধিক জনপ্রিয়। এর অবশ্য কারণও আছে। অন্যদের তুলনায় পল অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় এবং করিৎকর্মা। তা না হলে কি আর পলকে রাস্তায় দাড়িয়ে ঘুষি খেতে হয়।
কিন্তু পল যে শুধু দর্শনার্থীদের ঘুষিই খায় ব্যাপারটা মোটেও তা নয়। কিছু কিছু সময় পল দর্শনার্থীদের ভড়কে দিয়েও বিপুল করতালি অর্জন করে নেয়। কখনও পল ঠায় দাড়িয়ে থেকে তার মুখ থেকে অদ্ভুত শব্দ করতে থাকেন। আর এসময় যদি কেউ তার মুখের সামনে দাড়িয়ে দেখার চেষ্টা করে, তখনই পল বিকট শব্দ করে ভড়কে দেয় দর্শনার্থীকে। গত ১৬ বছর ধরেই পল একাজ করে আসছে নির্দিধায়।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on জীবন্ত ভাষ্কর্য

ব্যস্ত ব্রিজে সিংহের পাঁয়চারি!

lion_bg_870454718ফিচার ডেস্ক ঢাকা: রোজকার মতোই গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন। আপনার মতো আরও অনেকেই বেরিয়েছেন যে যার কাজ নিয়ে। পথিমধ্যে ব্রিজ পার হতে হতে হঠাৎই থেমে গেল সব গাড়ি। হয়তো আপনার গাড়ি একটু পিছনের দিকেই ছিল, ঠিক বুঝতে পারছেন কী ঘটছে!
জানলা দিয়ে মাথা উঁচিয়ে দেখতেই দর্শন পেলেন পশুরাজ সিংহের। ঢালু ব্রিজ দিয়ে বেশ হেলেদুলেই আসছেন সিংহ মামা। কেমন ঠেকবে তখন? পড়ি কী মরি করে যে দৌড় লাগাবেন, তারও তো উপায় নেই। ততক্ষণে ব্রিজজুড়ে ট্র্যাফিক জ্যাম লেগে সারা।
চাইবেন না। কারণ জীবনে আর যাই হোক, সিংহের সামনে পড়তে চান না! যাই হোক, আপনি পড়তে না চাইলেও কেউ না কেউ তো পড়েছেন।
আফ্রিকায়। সেখানে ন্যাশনাল ক্রুগার পার্কের সামনে একটি ব্রিজে হঠাৎ কী মনে করে সান্ধ্যভ্রমণে বের হন সিংহ মশাই। সিংহটির বাস ওই ক্রুগার পার্কেই।
ঘণ্টা মতোই ব্রিজে ছিল। এসময় গাড়িগুলো জায়গা থেকে না নড়লেও, অতি সাহসী কেউ কেউ ভিডিও করতে শুরু করেন। ধারণ করা ভিডিও পরে কেউ একজন ইউটিউবে আপলোডও করে দেন। বরং আপনি নিজেই দেখে নিন সিংহ ‍মামার পাঁয়চারি।

Posted in নির্বাচন কমিশন | Comments Off on ব্যস্ত ব্রিজে সিংহের পাঁয়চারি!

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud