April 21, 2026
স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার দ্রুত বিচার আইনের একটি মামলায় বিএনপির ২৩ নেতাকর্মীর নামে দাখিল করা চার্জশিটের ওপর আংশিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বহু বিতর্কের পর আগামী ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর হাকিম মোঃ তারেক মঈনুল ইসলাম ভুইয়্যার আদালতে হাজির হন। আদালতে শুনানি শেষে এ তারিখ ধার্য করা হয়।
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগরের আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসসহ ২৩ জন গুরুত্বপূর্ণ নেতার নামে এ মামলাটিতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।
পক্ষে অ্যাডভোকেট সানাউল্লা মিয়াসহ বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।
ও আসামি পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে এবং সর্বশেষ বিচারক ও আসামিপক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক চলে। তবে শেষ পর্যন্ত আসামি পক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন।
মওদুদ আহমেদ ও শরাফত উল্লাহ সপুর পক্ষে সময়ের আবেদন করা হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মওদুদ আহমেদের বিরুদ্দে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না দেয়ার জন্য আবেদন জানালে বিচারক বেলা চারটার মধ্যে তার আদালতে এসে হাজির হতে বলেন। ওই সময় পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেবেন না। যদি এ সময়ের মধ্যে মওদুদ হাজির হতে ব্যর্থ হন তাহলে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে।
আদালতে মির্জা ফখরুল, মির্জা আব্বাস, নোমান ও যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জোম হোসেন আলালসহ ১৪ আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। অপর সাত আসামি গড় হাজির।
পক্ষে সানাউল্লা মিয়া চার্জাশিটের ওপর আংশিক শুনানি করেন। পরিপূর্ণ শুনানির জন্য তাদের আরো সময়ের দরকার। এ জন্য আগামী বছরের যেকোন সময় নতুন একটি দিন ধার্য করার আবেদন জানান তিনি। বিচারক তার বক্তব্যে বলেন, তাদের অনেক সময় দেয়া হয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য এ মাসেই নতুন দিন ধার্য করা হবে। এ বক্তব্য দিয়ে বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান। ১০ মিনিট পর তিনি আবারো এজলাসে উঠেন। এর পর পরবর্তী তারিখ নিয়ে বিচারক ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বিতর্ক চলে। অবশেষে বিচারক আগামী ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।