পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

এবার ফাঁসছেন রাঘববোয়াল

Posted on November 21, 2014 | in খেলাধুলা | by

1416462579ঢাকা: ফেঁসে যাচ্ছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আরো কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগে আটক বিমানের ডিজিএম, পাইলটসহ পাঁচজন রিমান্ডে এসে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের নিকট আরো কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার তথ্য দিয়েছেন। গোয়েন্দা পুলিশ নামগুলো যাচাই বাছাই করে বড় ধরনের অভিযানে নামবে। এদিকে গ্রেফতার ডিজিএম এমদাদকে জিজ্ঞাসাবাদে তার বিপুল পরিমাণ সম্পদের খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মিনহাজুল ইসলাম এমন তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বর্ণ চোরাচালানের এই সিন্ডিকেট অনেক বড়। কর্মকর্তাদের গ্রেফতারের পর দেশে স্বর্ণ চোরাচালানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও এদের সঙ্গে জড়িত বিমানের অনেক কর্মকর্তা বিষয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। বিমানের কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তা কর্মচারী এমনকি রাজনৈতিক নেতার নামও বলেছেন। তদন্তের স্বার্থেই এক্ষুণি তাদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ড শেষ হলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিলে আরো অনেক কর্মকর্তাই গ্রেফতারের আওতায় আসবেন। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, বাংলাদেশ বিমানের কেবিন ক্রু মাজাহারুল আবসার রাসেল স্বর্ণসহ গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বর্ণ চোরাচালান বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিতে শুরু করে। রিমান্ড শেষে সে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে চোরাচালানের বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

মূলত তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ দু:সাহসী এক অভিযান চালায়। অভিযানে স্বর্ণ চোরাচালান নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত বিমানের ডিজিএম ইমদাদ, পাইলট শহিদ, ঠিকাদার পলাশসহ ৫ জনকে আটক করে। সূত্র জানায়, আটকের পর রিমান্ডের প্রথম দিনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন তারা। তাদের প্রত্যেককে আলাদা আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাদে তারা যেসব নাম বলেছেন সেগুলো প্রায় একই। পাশাপাশি কয়েকজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কিছু রাজনৈতিক নেতা ও সিভিল এভিয়েশনের কর্মকর্তাদের নামও বলছে। তদন্তের স্বার্থে এক্ষুণি তাদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। বর্তমানে তাদের বিষয়ে আরো বিশদভাবে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।

তবে মহিলা কেবিন ক্রু বা বিমানবালা নিশিকে গোয়েন্দা নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। নিশির ব্যাপারে রাসেলের দেয়া তথ্য ও পরবর্তীতে গ্রেফতার হওয়া ৫ জনের তথ্যে অনেক মিল রয়েছে। যেকোনো মুহুর্তে তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে সূত্রটি জানায়। ডিজিএম এমদাদের বিপুল বিত্ত বৈভব: বিমানের ডিজিএম এমদাদকে জিজ্ঞাসাবাদে স্বর্ণ চোরাচালানের কথা স্বীকার করেছে। তাছাড়া তিনি তার বিপুল সম্পদের তথ্য দিয়েছেন।

গোয়েন্দা পুলিশের সূত্রটি বলছে, ইতোমধ্যে এমদাদ তার পান্থপথের বিলাসবহুল বাড়ি, গুলশানের মার্কেটে কয়েকটি দোকান এবং তার নিজস্ব একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি থাকার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি কয়েক ব্যাংকে নিজ নামে ও বেনামে কয়েকটি অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার কথা জানিয়েছে। সূত্র বলছে, রিমান্ডের এখনও তিন দিন বাকি রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলে তার বিষয়ে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যেতে পারে। বর্তমানে তার দেয়া তথ্য যাচাই বাছাই চলছে।

Comments are closed.

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud