April 21, 2026
ঢাকা: বৈকালিক সংবর্ধনা ঘিরে সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের আগমনে মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জ। সশস্ত্র বাহিনী দিবসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠান ঘিরে সেনাকুঞ্জের সবুজ চত্বরজুড়ে ছোট ছোট আড্ডায় মেতেছেন সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তারা। কোথাও কোথাও সামরিক-বেসামরিক কর্তাব্যক্তিরা বসে দিচ্ছেন আড্ডা। আড্ডায় একে অপরের খোঁজ খবর নিচ্ছেন। আড্ডার ফাঁকে ফাঁকে কেউ কেউ গরম চা-কফিতে চুমুক দিচ্ছেন। সামরিক কর্মকর্তারা এসেছেন সস্ত্রীক। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেনাকুঞ্জে আগত অতিথিদের সবাই প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন। বৈকালিক এ সংবর্ধনায় আমন্ত্রিত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, প্রাক্তন উপদেষ্টা, মন্ত্রী ও মন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি, প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা সম্পন্ন ব্যক্তি,সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনার, বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূত, মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব, ঢাকা এলাকার সংসদ সদস্য, বাহিনীর প্রাক্তন প্রধান, ২০১৪ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত ও একুশে পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, নির্বাচিত রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তি, স্বাধীনতা যুদ্ধের সব বীরশ্রেষ্ঠের উত্তরাধিকারীরা, স্বাধীনতা যুদ্ধ ও স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ঢাকা এলাকায় বসবাসরত খেতাবপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/তাদের উত্তরাধিকারীরা, উচ্চপদস্থ বেসামরিক কর্মকর্তা এবং তিন বাহিনীর চাকরিরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে। 
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হচ্ছে। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন। দেশের সব সেনানিবাস, নৌ ঘাঁটি ও স্থাপনা এবং বিমান বাহিনী ঘাঁটির মসজিদসমূহে দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি এবং সশস্ত্র বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করে ফজরের নামাজ শেষে বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম ফরিদ হাবিব এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল মোহাম্মদ ইনামুল বারী নিজ নিজ বাহিনীর পক্ষ থেকে শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণ রেন। তিন বাহিনী প্রধানগণ বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।