April 20, 2026
বাগেরহাট: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার নলধা মৌভোগ গ্রামের চিংড়ি ঘের ব্যবসায়ী রুস্তম আলী মাতুব্বরকে গুলি করে হত্যাকান্ডের দায়ে ৩ জনকে ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছে বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসএম সোলায়মান এই রায় ঘোষনা করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক একইসাথে যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদেরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছর কারাদন্ডের নির্দেশ দেন। এই মামলায় ইমরুল নামের একজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালাত।
মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্তদের মধ্যে জিহাদ শেখ ও যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামীর মধ্যে আব্দুর রউফ নামে ২ জন আদালতে উপস্থিত ছিল। অন্য আসামীরা পলাতক রয়েছে।
ফাঁসির দন্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার নলধা গ্রামের নেপাল মন্ডলের ছেলে তপন মন্ডল, সুলতান শেখের ছেলে জিহাদ শেখ, সুশান্ত মন্ডলের ছেলে অতুনু মন্ডল।
যাবজ্জীবন দন্ডাদেশ প্রাপ্তরা হলেন ফকিরহাট উপজেলার নলধা মৌভোগ গ্রামের আফসার শেখের ছেলে আব্দুর রউফ, ডহর মৌভোগ গ্রামের অধীর হীরার ছেলে ত্রিনাথ হীরা, কুমোদ ঢালীর ছেলে নরেশ ঢালী, মহানন্দ হীরার ছেলে শিব শংকর হীরা, রজব বালার ছেলে কৃষ্ণ বালা, মধ্য মৌভোগ গ্রামের মোছলেম গাজীর ছেলে বাহাউদ্দিন গাজী।
মামালার সংপ্তি বিবরনে জানা যায়, ২০০৩ সালের ২৭ ফেরুয়ারী রাত ১১ টার দিকে ফকিরহাট উপজেলার নলধা মৌভোগ গ্রামের সায়েদ আলী মাতুব্বরের ছেলে চিংড়ি ঘের ব্যবসায়ী রুস্তুম আলীর বসত ঘরে ঢুকে আসামীরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় পরের দিনে নিহতের ভাই জয়নাল মাতুব্বর ১০ জনকে আসামি করে ফকিরহাট থানায় হত্যা মামলা দাযের করে। মামলা দায়েরের এক বছর পর তদন্ত কর্মকর্তা মো: আসাদ আলী ১০ আসামীকে অভিযুক্ত করে ২০০৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী আদালতে চাজশীট দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত এই রায় প্রদন করেন।