April 22, 2026
‘আনন্দ জলসা’ অনুষ্ঠানের দুই উপস্থাপক ফেরদৌস ও তানিয়াম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘আনন্দ জলসা’ প্রথম প্রচারিত হয়েছিল ২০১১ সালে রোজার ঈদে। একই বছর কোরবানি ঈদেও প্রচারিত হয় অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানটিতে উপস্থাপক ছিলেন ফেরদৌস ও তানিয়া আহমেদ। এর পর থেকে প্রতিবছর রোজা ও কোরবানির ঈদে ধারাবাহিকভাবে ‘আনন্দ জলসা’ অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করার কথা থাকলে নানা কারণে গত দুই বছর সম্ভব হয়নি। দুই বছর পর মাছরাঙা টেলিভিশনে আবারও অনুষ্ঠানটি নির্মিত হচ্ছে। আর এবারও অনুষ্ঠানটির উপস্থাপনায় রয়েছেন ফেরদৌস ও তানিয়া আহমেদ। সম্প্রতি রাজধানীর বেইলি রোডে চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তর মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটির দৃশ্য-ধারণের কাজ করা হয়। ‘আনন্দ জলসা’ অনুষ্ঠানটির গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনা করেছেন কবির বকুল।
প্রথম আলোকে কবির বকুল বলেন, ‘তারকাসমৃদ্ধ অনুষ্ঠান “আনন্দ জলসা” ব্যয়বহুলভাবে তৈরি করা হয়। শুরু থেকে অনুষ্ঠানটি আলোচিত হলেও আমরা তা ধারাবাহিকভাবে নির্মাণ করতে পারিনি। তবে এবার থেকে অনুষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।’ কবির বকুল আরও বলেন, ‘দর্শকদের আমরা আনন্দ দেওয়ার কথা মাথায় রেখে অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করেছি। স্যাটায়ারের মধ্য দিয়ে সমাজের অসংগতিগুলো তুলে ধরা হয়েছে, যা দর্শককে আনন্দ দেবে।’ গতানুগতিক ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের আদল থেকে বের হয়ে ‘আনন্দ জলসা’ অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে একটি গল্প বলার চেষ্টা করেন উপস্থাপকদ্বয়। ‘আনন্দ জলসা’ অনুষ্ঠানটির আগে দুটি পর্বে রাজা ও রানি এবং প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডির বেশে দর্শকদের সামনে হাজির হয়েছিলেন ফেরদৌস ও তানিয়া। এবারও তেমনি একটি গল্প বলা হবে বলে জানিয়েছে মাছরাঙার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ‘আনন্দ জলসা’ অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেছেন কনকচাঁপা, এসআই টুটুল ও কনা। থাকছে শিবলী মহম্মদ, শামীম আরা নীপা ও নৃত্যাঞ্চলের নাচ। দ্বৈত নৃত্য পরিবেশন করেছেন নুসরাত ফারিয়া ও সোহাগ। এ ছাড়া হাস্য-রসাত্মক বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নিয়েছেন শর্মিলী আহমেদ, শহীদুল আলম সাচ্চু, তুষার খান, দেবাশীষ বিশ্বাস, মাজনুন মিজান, শামীম জামান, রুনা খানম, মৌটুসী বিশ্বাস, সুমন পাটোয়ারী, শশী, রনি, সজল, জামিল, লেমিস প্রমুখ। ঈদের দিন রাত আটটায় মাছরাঙা টেলিভিশনে প্রচারিত হবে ‘আনন্দ জলসা’।