April 20, 2026
নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ নেতা শামীমের গুলিবিদ্ধের ঘটনায় প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দিতে এসে ট্রাফিক কনস্টেবলকে পেটালো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগের কর্মী-সমর্থকরা। শুক্রবার বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর পল্টন জিপিও সিগন্যাল মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিগন্যাল ওভারটেক করে একটি মাইক্রোবাস ক্রসিং পার হতে চাইলে দায়িত্বরত ট্রাফিক কনস্টেবল গাড়িটিকে আটকায়। কিন্তু তিনি জানতেন না গাড়ির ভেতরে ছিলেন ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ট্রাফিক কনস্টেবল আশিক ও নিরঞ্জন জানান, আহত ট্রাফিক কনস্টেবল মামুনকে রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় মামুনের সঙ্গে নিরঞ্জনও সেখানে দায়িত্বরত ছিলেন। তিনি বলেন, একটি মাইক্রোবাস সিগন্যাল ওভারটেক করে যাওয়ার চেষ্টা করলে মামুন মাইক্রোবাসটি আটক করে। এর ফলে গাড়ির পেছনে থাকা মটর সাইকেল আরোহীরা তাকে মারধর করতে থাকে। পরবর্তীতে তিনিসহ সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় জিপিও মোড়ের সিগন্যালের চার্জের দায়িত্বে ছিলেন সার্জেন্ট আশিক। ঘটনার ২০ মিনিট পর জিপিও সিগন্যালে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ট্রাফিক পুলিশসহ পুলিশের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অবস্থান করেছেন। এ সময় এ ঘটনায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ করা যায় এবং এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। ঘটনার সময় উপস্থিত থাকা ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা বলেন, সিগন্যাল ওভারটেক করে ছাত্রলীগ সভাপতি সোহাগের মাইক্রোবাসটি অতিক্রম করতে গেলে ট্রাফিক কনস্টেবল গাড়িটিকে আটকিয়ে দেয়। এ সময় মটর সাইকেলে থাকা ছাত্রলীগের অন্য নেতা-কর্মীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই ওই কনস্টেবলকে মারধর করতে থাকে। এ ঘটনায় পুলিশ একজনকে ধরে পিক-আপ ভ্যানে ওঠাতে গেলে সোহাগ গাড়ি থেকে নেমে ওই কর্মীকে ছাড়িয়ে নেন।
প্রসঙ্গত শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি এনামুল হক শামীমের ওপর গুলিবিদ্ধের ঘটনায় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। সেই সমাবেশে যোগদান করেত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিকে আসছিল।
……..রা: বি: