পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

পুলিশের একার পক্ষে মাদকের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়:ডিএমপি

Posted on April 5, 2014 | in ইসলাম | by

DMP.jpg-2010-03-03-ঢাকা: পুলিশের একার পক্ষে রাজধানীতে মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয় উল্লেখ করে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও অন্যান্য সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগে মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম। শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে গত দুই মাসে মাদক বিরোধী অভিযান সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ঢাকায় অব্যাহত অভিযানের ফলে মাদকের সরবরাহ ব্যবস্থা  ভেঙে পড়েছে। গত দুই মাসে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় ৬৩১ টি মামলায়  মোট ৬৪১ জনকে বিভিন্ন  মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে।

মনিরুল ইসলাম বলেন,ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মাদক বিষয়ে  যে অবস্থান  সেটি হলো জিরো টলারেন্স। কারণ আমরা মনে করা মাদক হলো মাদার ক্রাইম। বিভিন্ন সময় আমরা প্রচুর সংখ্যক আমাদের  যে ৪৯টি থানা রয়েছে, তারপর ডিবি এ কার্যক্রম চালায়,  তো সবাই মিলে বিভিন্ন সময় প্রচুর পরিমানে মাদক দ্রব্য উদ্ধার করি।

তার তথ্য মতে, গত  ফেব্র“য়ারি  থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ৬৩১টি মাদক মামলায় ৬৪১ জনকে বিভিন্ন  মেয়াদে কারাদণ্ড  দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১৫৩টি মামলায় ১৫৩ জনকে এক বছরের কারাদণ্ড, ৪০২টি মামলায় ১২ জনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৭৬টি মামলায় ৭৬ জন আসামীকে ছয় মাসের নিচে কারাদণ্ড  দেয়া হয়েছে।আসামিদের  থেকে উদ্ধারকৃত মাদক দ্রব্যের মধ্যে ছিল মদ,  হেরোইন, গাঁজা,   ফেনসিডিল, ইয়াবা ইত্যাদি।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল দাবি করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তৎক্ষণিক প্রমাণ সাপেক্ষে মাদক ব্যবসায়ীদের সাজা দেয়ায় মাদক ব্যবসায় অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ীরা জামিনে বেরিয়ে এসে পুনরায় মাদক ব্যবসায় আগ্রহ হারাচ্ছে।

তিনি বলেন,  কৌতূহল, বন্ধু বান্ধবদের চাপ, পারিবারিক কলহ,  বেকারত্ব, দারিদ্র্য ইত্যাদি কারনে মানুষ মাদক  সেবনের দিকে ধাবিত হয়। বাংলাদেশের  প্রেক্ষাপটে একজন ব্যক্তি  হেরোইন, গাঁজা,  ফেনসিডিল, ইয়াবা ট্যাবলেট, দেশীয় মদ ও বিভিন্ন ধরনের ইনজেকশন নিয়ে থাকে।

মাদক দ্রব্যগুলোর মধ্যে ইয়াবা ট্যাবলেট আসে কক্সবাজার রুট হয়ে,ফেনসিডিল আসে সাতক্ষীরা, যশোর, ঝিনাদহ,মেহেরপুর রাজশাহী, নওগাঁ, কুড়িগ্রাম, ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুমিল্লা ও  ফেনী রুট হয়ে। মাদক  সেবনের কারনে পারিবারিক অশান্তি ও কলহ-বিবাদ, ছিনতাই ও চুরির ঘটনা ঘটে থাকে বলে জানান এই  গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

যুগ্ম কমিশনার বলেন, একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তি দিনের বিশেষ সময়ে বাড়ির বাইরে যাওয়ার প্রবণতা থাকে, রাতে না ঘুমানো, দিনে ঝিমুতে থাকে, খাবার গ্রহণে অনীহা প্রকাশ টাকার অতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে সময় নষ্ট করা, বিভিন্ন সময়ে মন মেজাজের পরিবর্তন, ও আচারনগত পরিবর্তন এলে বুঝতে হবে ওই ব্যক্তি মাদকাসক্তে আক্রান্ত।

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud