May 6, 2026
গণজাগরণ চত্বর থেকে: শাহবাগ মোড়ের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকাল ৭টা থেকেই শাহবাগ মোড়ে প্রবেশের বিভিন্ন পয়েন্টে ৫ শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে র্যাব, গোয়েন্দা বাহিনী ও সাদা পোশাকের পুলিশ।
যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে চলমান আন্দোলন এবং বুধবারের পহেলা ফাল্গুন উৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন বলে বুধবার সকালে জানান শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যাবস্থা রয়েছে আমাদের। -বাংলানিউজ
পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে জামায়াত শিবিরের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পহেলা ফাল্গুনের উৎসবে যোগ দিতে রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মানুষ ভিড় করছে। এছাড়াও রয়েছে বই মেলা। সবকিছু মিলিয়ে উৎসবের এ দিনটিতে কোন ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যেন না ঘটে সে ব্যাপারে কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে।
বুধবার সকাল থেকেই শাহবাগ মোড়ের প্রবেশ পয়েন্ট, শিশু পার্ক, চারুকলা ইনস্টিটউট, আজিজ সুপার মার্কেট, বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ওষুধ মার্কেট, বারডেম হাসপাতাল, জাতীয় জাদুঘরের সামনে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শাহবাগ মোড়ের চারপাশের উচুঁ স্থাপনাগুলোতে গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ ও র্যাবের নজরদারি দল তৎপর রয়েছে। মোড়ে আসার পথগুলো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পথগুলোতে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করছে পুলিশ।
শাহবাগ মোড়ের দক্ষিণ-পূর্ব কোনে পুলিশ বক্স ঘিরে স্থাপন করা হয়েছে অস্থায়ী কন্ট্রোল বক্স। যতদিন শাহবাগে এ আন্দোলন চলবে ততদিন এ অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম কাজ করছে বলে জানান সিরাজুল। শাহবাগ মোড় এবং মোড়ের চারপাশের নজরদারি নিশ্চিত করতে এ কন্ট্রোল রুম থেকে ৩২টি ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। শিশু পার্ক, চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে, কাঁটাবন মোড়, রূপসী বাংলার সামনে পর্যন্ত এসব ক্যামেরা বসানো হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়াও আন্দোলনে সন্দেভাজনদের চিহ্নিত করতে শাহবাগের মোড় ঘিরে রয়েছে কয়েকটি ক্যামেরা।
এদিকে প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতেও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বেনজির আহমেদ আন্দোলনস্থল পরিদর্শন করেছেন।