April 20, 2026
ঢাকা : আগামী ২০ জুলাই থেকে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে লঞ্চের অগ্রিম টিকিট দেওয়া শুরু হবে। এছাড়া ২৪ জুলাই থেকে বেসরকারি লঞ্চ মালিকরা স্পেশাল সার্ভিস চালু করবেন। ইতোমধ্যে অগ্রিম টিকিটের জন্য স্লিপ নেওয়া শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে অগ্রিম টিকিটের সুবিধা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। মঙ্গলবার পর্যন্ত সরকারি যাত্রী পরিবহন সংস্থা বিআইডব্লিউটিসি স্পেশাল সার্ভিসের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। সাধারণ যাত্রীদের অভিযোগ, লঞ্চের অগ্রিম টিকিট দেওয়ার ঘোষণা হলেও ওই টিকিট সাধারণ যাত্রীরা পায় না। আগে থেকে নিজস্ব ও পরিচিতদের নামে বরাদ্দ দিয়ে রাখে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। সেখান থেকে কালোবাজারে চলে যায় টিকিট। বিলাসবহুল সুরভী লঞ্চের মালিকদের একজন রিয়াজ-উল কবির বলেন, লঞ্চের অগ্রিম টিকিটের জন্য স্লিপ নেওয়া হয়েছে। স্লিপ নেওয়া টিকিট ২০ জুলাই থেকে দেওয়া শুরু হবে। এর বাইরে টিকিট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশাল কার্যালয়ের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আবুল বাসার মজুমদার বলেন, ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে ২৪ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল নৌপথে স্পেশাল সার্ভিস চালু থাকবে। এ সময় প্রতিদিন সরাসরি ১২টি বিলাসবহুল লঞ্চ ঢাকা-বরিশাল রুটে চলাচল করবে। এর বাইরে ভায়া চলাচল করবে আরো ছয়টি। লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই করতে দেওয়া হবে না। এছাড়া যাত্রীদের নিরাপত্তায় নৌবন্দরে নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু থাকবে। অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব, কোস্টগার্ড দায়িত্ব পালন করবে। এর সঙ্গে থাকবেন স্কাউট ও গার্ল গাইডের সদস্যরা। সুন্দরবন লঞ্চের মালিক বরিশাল শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি সাইদুর রহমান জানান, সাধারণ সময় ছয়টি লঞ্চ চললেও ঈদে যাত্রী চাপ সামাল দিতে ১৩টি লঞ্চ দিনে দুবার ট্রিপ দেবে। ২৪ জুলাই থেকে ওই সার্ভিস চালু থাকবে। এ ব্যাপরে বিআইডব্লিউটিসি বরিশালের সহকারী ব্যবস্থাপক গোপাল কৃষ্ণ মজুমদার জানান, স্পেশাল সার্ভিস দেওয়ার জন্য এখনো কর্মসূচি দেওয়া হয়নি। সম্ভবত ঈদের এক সপ্তাহ আগে এ সার্ভিস চালু হবে।