May 2, 2026
নিউজ,ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন, এতে তিনি সীমালঙ্ঘন করেছেন। দ্রুত এ বক্তব্য প্রত্যাহার করেন, না হয় রাজপথে আওয়ামী লীগ এর জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
শুক্রবার দুপুরে কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। চলমান রাজনীতি নিয়ে নৌকা সমর্থকগোষ্ঠী আলোচনা সভার আয়োজন করে।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য প্রসঙ্গে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেন, এ নিয়ে গালাগালি আর পাল্টা গালাগালি করে রাজনীতিকে কলুষিত করার দরকার নেই। বিকৃত রাজনীতির পরিণতি ৫ জানুয়ারিতেই দেখেছেন। তাদের এই মস্তিস্ক বিকৃত রাজনীতি জনবিচ্ছিন্নতা থেকে এসেছে। আমাদের উচিত উন্নয়ন ও যুদ্ধাপারাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করা।
তিনি বলেন, তারেকের বক্তব্য কৃত্রিম রাজনীতির নিষ্ঠুরতম পরিণতি। যেমন তালেবানি রাজনীতিতে পাকিস্তানের নিষ্ঠুরতা সারা বিশ্ববাসী দেখেছে। ইতিহাস বিকৃতির রাজনীতি। রাজনীতি বিকৃতির ইতিহাস। এটা জিয়া, খালেদা ও তারেক সবাই করেছে। জিয়া আমাদের দীর্ঘদিন জয় বাংলা বলতে দেয়নি। ৭ মার্চের ভাষণ থেকে আমাদের বঞ্চিত করেছেন। জিয়া, খালেদা ও তারেকের রাজনীতিও আজ আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সুরঞ্জিত বলেন, বঙ্গবন্ধু বিশাল পাহাড়ের মতো, জিয়াউর রহমানের পুত্রের মতো কোনো ইদুর তাতে লাফালে কিছু যায় আসে না। খালেদা জিয়া বলে তারা নাকি তথ্য ও সত্যের ভিত্তিতে বলেন। খালেদা জিয়াকে বলবো, ডেভিড ক্যামেরুনকে বলেন এই ছেলেটাকে পাগলা গারদে পাঠাতে। খালেদা জিয়া বুঝতে পারছে না, এই বিকৃতির রাজনীতিতে বিএনপিই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা মনে করি, এই ধরনের বিকৃতির রাজনীতি দিয়ে আন্দোলনও জয় করা যায় না, ইতিহাসও বিকৃতি করা যায় না। বরং নিজেকেই ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত করবে। এটা তাদের রাজনীতিকে ক্ষতিগ্রস্তই করবে না, চিরতরে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলবে।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, এদের মিথ্যাচার আজ আমাদের স্তম্ভিত করেছে। অন্ধপুত্রের মাও অন্ধ। অন্ধ মায়ের ছেলেও অন্ধ। দুজনেই অন্ধ। তাদের মধ্যে শিক্ষার কোনো আলো নেই।
সংগঠনের সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ নেতা ফয়েজ উদ্দিন মিয়া, আব্দুল হাই কানু, শিরিন নাঈম পুনম এমপি প্রমুখ।