March 15, 2026
maya_49804_73555আদালত প্রতিবেদক ঢাকা: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার এমপি ও মন্ত্রিত্ব চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন শুনতে অপারগতা জানিয়েছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। মামলাটি রাজনৈতিক হওয়ায় এটি শুনতে অপারগতা প্রকাশ করে আইনজীবীকে ফেরত দেয় আদালত। বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, ‘রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আমরা শুনানি করবো না।’ মঙ্গলবার আইনজীবী এ্যাডভোকেট ইউনুস আলী আকন্দ হাইকোর্টে রিট আবেদনটি দাখিল করেন।রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় সংসদের স্পিকারকে বিবাদী করা হয়। রিটকারী সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী জানতে চেয়েছেন, দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া কোন কর্তৃত্ববলে মন্ত্রী ও এমপিপদে বহাল রয়েছেন। দুদকের দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় মায়াকে হাইকোর্টের খালাসের রায় বাতিল করে দেওয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় গত ২৪ জুন প্রকাশ করা হয়। পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরই মায়ার মন্ত্রিত্ব ও এমপি পদে থাকা নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। রায় প্রকাশের পর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেছিলেন, ‘আমার মতে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মায়ার সংসদ সদস্যপদ থাকা উচিত নয়। এটি একটি বিতর্কের বিষয়। সুতরাং এ বিষয়ে সংসদে আলোচনা হতে পারে।’ যদিও ভিন্নমত প্রকাশ করেন দুদক কমিশনার (তদন্ত) মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তার মতে, ‘মায়ার সংসদ সদস্যপদ থাকাতে কোনো বাধা নেই।’ ২০০৭ সালের ১৩ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক নূরুল আলম সূত্রাপুর থানায় মায়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মায়ার বিরুদ্ধে ২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায় ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত মায়াকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন। একই সঙ্গে পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা এবং তার প্রায় ছয় কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দেন আদালত।