May 6, 2026
ঢাকা: সংবিধানের কোথাও ভারপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার পদটির কথা উলে¬খ নেই। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছুটিতে গিয়ে একজনকে ভারপ্রাপ্ত কমিশনার রেখে গেছেন। ফলে এই কমিশনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন আছে, তাই এই কমিশন বাতিল করা হোক।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত গণতন্ত্র, নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশন এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া এ দাবি তোলেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। কিন্তু সংবিধানের কোথাও ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলে কিছু নেই। এটি আইনগতভাবে বৈধ নয়। সুতরাং প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছুটিতে গিয়ে আরেক জনের ওপর ভারপ্রাপ্তর দায়িত্ব দিয়ে মূলত আইনের লঙ্ঘন করেছেন। আর দায়িত্ব নিয়ে মোবারকও অবৈধ কাজ করেছেন।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার সম্পর্কে তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশনার আওয়ামী লীগের ক্যাডারদের মতো কথা বলেন। পাশাপাশি অসাংবিধানিক পদে থাকায় এই নির্বাচন কমিশনারদের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে ইমপিচমেন্ট করা উচিত।
ভারতকে বিদ্যুতের ট্রানজিট দেওয়ার সমালোচনা করে রফিক বলেন, দেশের স্বার্থ না দেখে সরকার ভারতের স্বার্থ রক্ষায় তৎপর। দেশের মানুষের কষ্ট দেখার সময় তাদের নেই, সে সম্পর্কেও তাদের কোনো ধারনা নেই।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় সকল শ্রেনীর মানুষ ঐকবদ্ধ হয়ে একই কাতারে এসে আন্দোলন গড়ে তুলে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
জিয়াকে দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে অভিহিত করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল¬াহ চৌধুরী বলেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষনার পর থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত স্বাধীন দেশের কোনো রাষ্ট্রপতি ছিলো না। ১০ এপ্রিল জাতীয় সরকারর গঠনের আগ পর্যন্ত জিয়াউর রহমানই ছিলো দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি।
এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক আ ফ ম ইউসূফ হায়দার, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।