March 13, 2026
ঢাকা : ঢাকা সহ সারা দেশে জাতি এক আতঙ্কের ডেটলাইন ২৫ অক্টোবরের অপেক্ষায়। সে দিন সরকারি ও বিরোধী দল রাজধানীতে মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছ। এ সমাবেশ কে সফল করতে প্রতিদিনই চলছে পরস্পর পাল্টাপাল্টি হুমকি। উভেয়র এ ধরনের ঘোষনা এবং বক্তব্য প্রতি মুহূর্তে উেত্তজনায় কেপে উঠছে দেশ। রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণ সম্প্রচার করা হবে। সব সমস্যার সমাধান থাকতে পারে প্রধানমন্ত্রীর আজ সন্ধ্যায় ভাষনে। হতে পারে সকল সমস্যা আর উৎকন্ঠার সমাধান। তারা গোয়েন্দাতথ্যের বরাত দিয়ে, সরকার বলছে ২৫ অক্টোবর থেকে বিরোধী দল সহিংসতা বাডাতে পারে, এমনকি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বারামহীন অবস্থান নেয়ার সম্ভাবনা আছে।তাই ২৫ অক্টোবর বিএনপিকে সমাবেশ করতে দেয়া হবে কি না, তা নিয়ে ভাবছে সরকার। সরকারী দল এ ব্যাপারে আর ঝুঁকি নিতে চায় না।
অপরদিকে, ২৫ অক্টোবর সমাবেশ সফল করার সকল প্রস্ততি নিয়ে দেশব্যাপী সকল নেতা-কর্মীদের ঢাকায় আসার তোঝোড় শুরু হেয়েছ বেল জানা যাচ্ছে। এতে বাধা দিলে ১৮ দল কঠোর হাতে তা দমেনর শপথ নিয়েছে। বিএনপির নেতারা বলচছেন এত দিন যেভাবে তাদের কর্মসূচি অহিংসভাবে চলে এসেছে, আন্দোলন কর্মসূচি সে রকম অহিংসই থাকবে। তবে তা আগের চেয়ে বহুগুণ বেশি জোরালো হবে। তাদের আন্দোলনের গতি-প্রকৃতি সরকারের আচরণের ওপর নির্ভর করবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পরে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সংসদ চলবে বলে ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই বিশেষভাবে সর্বস্তেরর মাঝে বহুল আলোচনায় আসে এই ২৫ অক্টোবর। সংবিধান অনুযায়ী ২৪ অক্টোবরের পর পরবর্তী নির্বাচনের সময় নির্ধানর হবে । বিন্ত বিরোধী দলের বলছে ২৪ অক্টোবরের পর সরকারের বৈধতা আর প্রশ্নের বাইরে থাকবে না। এরপর সরকার গণ্য হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হিসাবে। তবে সরকার বলছে, বিরোধী দলের এসব দাবি সংবিধান সমর্থন করে না।