April 24, 2026
বিনােদন ডেস্ক: ন্যান্সির বাসায় কাজ করেন সীমা নামের একটি মেয়ে৷ তবে কিছুদিন আগে প্রায়ই কাজে আসতো না মেয়েটি৷ বিরতির পর এলে ন্যান্সি লক্ষ্য করতেন সীমার হাত-মুখ ফোলা আর গায়ে প্রচুর জ্বর। একদিন তিনি এর নেপথ্য কারণ জেনে নির্বাক আর নিস্তব্ধ হয়ে যান৷ মাত্র কয়েক বছর আগে বিয়ে হলেও সাংসারিক
সুখশান্তির মুখ দেখেনি সীমা৷ স্বামী কামাল এক কথায় বললে বেকার৷ আর্থিক টানাটানিতে শুরু হয় কলহ৷ এ কারণে দিনের পর দিন স্বামীর শারীরিক নির্যাতন সহ্য করতে হয় সীমাকে৷ এ খবর জেনে ব্যস্ততার কারণে নিজে যেতে না পারায় সীমাকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া ও ওষুধ কেনার জন্য কিছু টাকা দেন ন্যান্সি। পরদিন তার বাসায় স্বামী কামালকে নিয়ে আসে সীমা। সেদিনই কামালকে একটি রিকশা কিনে দেন ন্যান্সি। ন্যান্সি বললেন, ‘সীমা জানিয়েছে, এখন আর ওর স্বামী ওকে মারে না। সীমার মুখে হাসি দেখে মনে হলো ওই হাসিতেই লুকিয়ে আছে ওর সমস্ত সুখ।’ তিনি আরও বলেন, ‘ওর কাজ করার ধরণ আমার কাছে ভালো লাগে। তাই ওকে অনেক স্নেহ করি।’ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্রদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আহ্বান জানিয়েছেন ন্যান্সি। তিনি বলেন, ‘আসুন, অসহায়ের প্রতি সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দেই৷ সেই হাত ধরেই এগিয়ে যাক আমার, আপনার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।