May 30, 2026
বাকেরগঞ্জ: জামিন পাওয়ার পর ডাকাতদের চোখে চোখে রাখছে পুলিশ। প্রতিরাতে থানায় হাজিরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বরিশালে ডাকাতি বন্ধে এ ধরণের মনিটরিং এর কৌশল নিয়েছে পুলিশ। অনেক জায়গায় রাতের বেলা জামিন পাওয়া ডাকাত এবং জনতার সমন্বয়ে যৌথ পাহারার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
নদী ঘেরা বাকেরগঞ্জ উপজেলার এসব দুর্গম এলাকা দুই বছর আগেও ডাকাতদের জন্য ছিল অভয়ারণ্য। শুধু এই উপজেলায় বাস করে প্রায় পাঁচ শ’ ডাকাত। পুরো বরিশাল বিভাগের বেশিরভাগ অপরাধেরও হোতা এই বাকেরগঞ্জের ডাকাতরাই। পুলিশের অভিযানে এরা ধরা পড়লেও ডাকাতি থেমে থাকেনি। জামিনে ছাড়া পাবার পরই তারা ফিরে যেত ডাকাত দলে। গত ২২ মাসে ধরা পড়েছে ১০৫ জন ডাকাত। পুলিশের মনিটরিং-এর কারণে আদালত থেকে জামিন বের হলেও এদের বেশির ভাগই আর ফিরে যেতে পারেনি ডাকাত দলে।
কারণ জামিনে মুক্ত হবার পরপরই জেলগেট থেকে তাদের নিয়ে আসা হয় থানায়। প্রতিরাতে হাজিরা দেবার শর্তে ছাড়া হয় তাদের। ডাকাতি বন্ধে অনেক জায়গায় রাতের বেলা জামিন পাওয়া ডাকাত এবং জনতার সমন্বয়ে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মনিটরিং চালুর পর থেকে ডাকাতদের অপরাধে জড়ানোর ঘটনা কমছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। পুলিশ ও প্রশাসনের কড়া নজরদারির কারণে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছে ডাকাতদের অনেকেই।