April 18, 2026
প্রতিবেদক: বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ২৭ শতাংশ কমেছে। এতে দেশের তেল আমদানিতে কম বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হবে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হবে। বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সঙ্গতি রেখে দেশীয় বাজারে তেলের দাম সমন্বয় করা হলেও বাংলাদেশে সাধারণত সেরকম হয় না। ফলে বাংলাদেশের বেসরকারি খাত জ্বালানি তেলের দাম কমার সুফল সরাসরি পায় না, সুফল পায় সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, গত জুনের শেষদিকে প্রতি ব্যারেল অশোধিত তেলের দাম ছিল ১১৩ মার্কিন ডলার। এরপর কমতে শুরু করেছে তেলের দাম। সোমবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮২.৩৬ মার্কিন ডলার। ৬ মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে ২৭ দশমিক ৪৩ ভাগ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, দেশে আমদানি করা জ্বালানি তেলের ৬৫ শতাংশই ডিজেল। আর ডিজেলে সরকারকে ভর্তুকিও দিতে হয় বেশি। এখন আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমায় ভর্তুকি কমে আসবে। তবে এখনও জ্বালানি তেলে ভর্তুকি রয়েছে তাই দাম কমানোর সুযোগ নেই। বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার কারণ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী সামনে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার কমবে। চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার খুব ধীর। আর প্রবৃদ্ধির হার কমলে জ্বালানি তেলের চাহিদা কমবে। তাতে এবারে দীর্ঘসময় ধরে তেলের দাম কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।