May 3, 2026
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাভা সাগরে ‘বিধ্বস্ত’ এয়ার এশিয়ার যাত্রীবাহী প্লেন কিউজেড ৮৫০১’র টেইলের (পেছনের অংশ) সন্ধান পাওয়ার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ইন্দোনেশিয়ার অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল প্রধানের বরাত দিয়ে বুধবার (০৭ জানুয়ারি) দুপুরে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। দলের প্রধান বামবেং সোয়েলিস্তয় সাংবাদিকদের বলেন, এয়ার এশিয়ার প্লেনটির পেছনের অংশের সন্ধান আমরা পেয়েছি, যা আমাদের আজকের প্রধান লক্ষ্য ছিল। প্লেন দুঘর্টনার কারণ অনুসন্ধানে এর পেছনের অংশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্লেনের পেছনের অংশে ‘ব্ল্যাক বক্স’ ও ‘তথ্য রেকর্ড’ যন্ত্র থাকে, যা থেকে অনুসন্ধানকারীরা দুর্ঘটনার কারণ জানতে পারেন।

সোয়েলিস্তয় বলেন, ডুবুরি ও যন্ত্রের সহায়তায় জাভা সাগরের তলদেশে প্লেনটির পেছনের অংশের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা এখন পর্যন্ত সন্ধান পাওয়া উল্লেখযোগ্য ধ্বংসাবশেষ। তবে কোনো জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা যায়নি। এখন পর্যন্ত প্লেনটির ৪০ আরোহীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অধিকাংশ আরোহী এখনও প্লেনের ভেতরে রয়েছেন বলে ধারণা কর্তৃপক্ষের। প্লেনটি উদ্ধারে আন্তর্জাতিক অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দলের ৩০টিরও বেশি জাহাজ অংশ নিয়েছে। এক টুইটে এয়ার এশিয়ার প্রধান নির্বাহী টনি ফার্নান্দেজ লেখেন, আমি দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই প্লেনটির পেছনের অংশের সন্ধান পাওয়া গেছে। গত ২৮ ডিসেম্বর ভোরে উড়াল দেওয়ার পর এয়ার এশিয়ার ফ্লাইটটি সকাল ৭টা ২৪ মিনিটের পর থেকে সংশ্লিষ্ট এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়ে ফেলে।
দুইদিন পর (৩০ ডিসেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার এয়ার ফোর্সের কর্মকর্তা অগাস দুই পুতরান্তো জাভা সাগরে প্লেনটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়ার দাবি করেন। ওইদিনই জাভা সাগরে প্লেনটির কয়েকজন আরোহীর মরদেহ ভেসে উঠে। প্লেনটিতে ৭ ক্রু ও ১৫৫ যাত্রী মিলিয়ে মোট ১৬২ জন আরোহী ছিলেন। এদের মধ্যে ২ পাইলট ৫ ক্রেবিন ক্রু ছাড়া ১৪৯ জন যাত্রীই ইন্দোনেশিয়ান। বাকি ছয়জনের মধ্যে তিনজন কোরিয়ান, একজন মালয়েশিয়ান, একজন সিঙ্গাপুরিয়ান ও একজন ফরাসি।