April 19, 2026

নিউজ ডেস্ক,ঢাকা:
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে পশ্চিমা শক্তিগুলোর সঙ্গে সোমবারের মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাভাদ জারিফের কাছে এ প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। বিবিসি
এর আগে ভিয়েনা বৈঠকে রোববার দিনভর আলোচনা করেও পশ্চিমা শক্তিগুলো ইরানের সাথে কোনো সমঝোতায় পৌছতে পারেনি। তবে, চুক্তিতে পৌছনো নিয়ে গতকাল সারাদিন ভিয়েনায় বিভিন্ন গুঞ্জন শোনা গেছে। সারাদিনই পরস্পরবিরোধী নানারকম খবর পাওয়া গেছে সেখানে। কখনো ইরানি সূত্রের বরাতে শোনা যায়, সমঝোতার খুব কাছে পৌঁছে গেছে উভয় পক্ষ। পরণেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয় তেমন কিছু ঘটেনি।
তবে, রোববার সন্ধ্যায় উভয় পই জানায়- তারা ২৪ নভেম্বরের মধ্যে সামগ্রিক পরমাণু চুক্তির সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করছেন।
অংশ নেয়া কূটনীতিকরা বলছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া এ দুটি মূল বিষয়েই উভয় পরে মধ্যে ব্যাপক ব্যবধান রয়েছে। আলোচনায় এখনো কোনো ঐক্যমত্যের লক্ষণ দেখছেন না তারা।
সাধারণ ইরানি নাগরিকেরাও এই চুক্তির ব্যপারে খুব আশাবাদী নন। আসাদ নামের একজন ইরানি নাগরিক বলছেন, ইরান বা পশ্চিমাদের কেউই বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছ নয়। ইরান তো পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সই করেছে। এখন পশ্চিমাদের উচিত ইরানের অধিকারের প্রতি সম্মান জানানো। আবার ইরানেরও পশ্চিমের দেশগুলোর কাছ থেকে বেশি কিছু প্রত্যাশা করা উচিত না।
ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত দফা আলোচনা শুরু করবে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া এবং চীন। ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়াার বিনিময়ে দেশটিকে পরমাণু কর্মসূচি হ্রাস করতে রাজি করানোর জন্য একটি চুক্তি সই করাই হবে এই আলোচনার মূল লক্ষ্য।
ইরান বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচির আড়ালে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ পশ্চিমা দেশগুলোর। কিন্তু ইরান বরাবরই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।