April 20, 2026
প্রতিবেদক : পরিবারের নিয়ে যাওয়া মিষ্টি খেলেন একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা কামারুজ্জামান। মিষ্টিতে কিছু আছে কিনা— তা পরীক্ষা করার জন্য তা আগে কামারুজ্জামানের ভাই নাজিরুজ্জামানকে খাওয়ানো হয়। এ সময় উপস্থিত পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। কামারুজ্জামানও মিষ্টি খাওয়ার সময় কাঁদেন। কারাগার সূত্র জানায়, কামারুজ্জামানের পরিবারের সদস্যরা তার জন্য মিষ্টি নিয়ে যান। সঙ্গে ছিল কোমল পানীয়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার কিছু সময় পরই মিষ্টি খাওয়াতে যান। এ সময় সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলী মিষ্টি খাওয়াতে বাধা দেন। পরে কামারুজ্জামানের ভাইকে মিষ্টি খাওয়ানো হয়। পরে কামারুজ্জামানকে মিষ্টি খাওয়ানের অনুমতি দেন। এ সময় নীরব কনডেম সেলে এক বেধনাবিধুর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ফরমান আলী বলেন, কামারুজ্জামান তার পরিবারের আনা শুকনো মিষ্টি কাঁদতে কাঁদতে খেয়েছেন। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১১টা আট মিনিট পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা কামারুজ্জামানের সেলে সময় কাটিয়েছেন। উল্লেখ্য, কামারুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনার পর কারা সাক্ষাতের অনুমতি চেয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন স্বজনরা। কারা কর্তৃপক্ষ তাদের বুধবার সকাল ১০টায় সময় নির্ধারণ করেন দেন। পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাতের অনুমতি পেয়ে সকাল সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে উপস্থিত হন। কামারুজ্জামানের স্ত্রী, শালা, তার ভাই, চার ছেলে, এক মেয়ে ও কাজের ছেলেসহ মোট ১০ জন কারাগারে প্রবেশ করেন।
সুত্র…..দ্যারিপাের্ট