April 29, 2026
ঢাকা: দশম জাতীয় সংসদের পর এবার উপজেলা নির্বাচনেও সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। ৪৮৭টি উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে ভোট গ্রহণের আগে ও পরে মোট পাঁচ দিনের জন্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী মাঠে থাকবে। প্রথম দফায় আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা শান্তিপূর্ণ করতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অবস্থান করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। এই বিষয়ে ইসির সঙ্গে বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা একমত পোষণ করেছেন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ইসির সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক সকাল ১১টায় শুরু হয়। চলে পৌনে ১টা পযর্ন্ত। বৈঠকে অংশ নেওয়া ইসির যুগ্ম-সচিব ড. মো.শাহজাহান জানান, বৈঠকে উপজেলা নির্বাচনে সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা ছিল। আমাদের পক্ষ থেকে সেনা চাওয়া হয়। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ জানিয়েছে, আমরা যতদিন সেনা চাইবো ততদিন পযর্ন্ত তারা দায়িত্বে থাকবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার(সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে ইসির সভাকক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক, আবু হাফিজ, জাবেদ আলী, ও শাহ নেওয়াজসহ ইসি সচিব ড.মোহাম্মদ সাদিক উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিকিউ মোস্তাক আহমেদ, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লে. জেনারেল আবু বেলাল মুহাম্মদ শফিউল হক, মহাপুলিশ পরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ প্রমূখও উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া আনসার ও ভিডিপি ও ভিডিপি/কোস্ট গার্ড/জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা(এনএসআই), অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক, স্পেশাল ব্রাঞ্চ(এসবি), ডিজিএফআই, ৠাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান(র্যাব) এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন।
এই বৈঠক শেষেই শুরু হয় কমিশনের নিজস্ব বৈঠক। বৈঠকের পরে বিস্তারিত জানাবেন সিইসি।
উপজেলা নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আগের দুই দিন, ভোটের দিন এবং ভোটগ্রহণের পরের দুই দিনসহ মোট পাঁচদিন স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা সদস্যরা মোতায়েন থাকবেন।