ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণের ভোটের অধিকারকে ফিরিয়ে আনতেই সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী করা হয়েছে। আর এজন্যই অন্তর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে অসাংবিধানিকভঅবে কেউ ক্ষমতায় আসতে না পারে। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য তড়িঘড়ি করে কিছু করা হয়নি। সংশোধনের সময় বিএনপিকে বার বার সংসদে আসার আহ্বান করা হলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।.
শুক্রবার গণভবনে কুমিল্লা উত্তর ও দক্ষিণ, চট্টগ্রাম উত্তর-দক্ষিণ, পাবনা উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন এলে ধর্মকে পুঁজি করে বিএনপি-জামায়াত অপপ্রচার চালায়। তাদের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহবান জানান তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, বর্তমান সরকার জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। দেশের সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনমানেরও উন্নয়ন হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে আবারও নির্বাচিত করতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান তিনি। এসময় তিনি সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সব ভেদাভেদ ভুলে এক সঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দেন।
দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কঠিন মুহুর্তে দলের উচ্চ পর্যয়ের নেতারা সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করলেও তৃণমূল নেতারা তা করেন না। দলের দূর্যোগের সময় এসব নেতারাই দলের পাশে থাকেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
হেফাজত প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, জামায়াত আর হেফাজত ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। তারা অপপ্রচারের মাধমে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। দেশের মানুষকে তিনি জামায়াত-হেফাজতের মিথ্যাচার সম্পর্কে সজাগ থাকারও আহবান জানান।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, নুহু-উল আলম লেনিন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।