May 1, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের সময় তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুরের চোখে পুলিশের টিয়ারশেলই লেগেছে বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশের তদন্ত কমিটি। এই ঘটনায় সাত পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়ী করা হয়েছে।
আজ সোমবার এই তদন্ত প্রতিবেদন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার কাছে জমা দেয়ার কথা রয়েছে। তদন্ত কমিটির অন্যতম সদস্যরা হচ্ছেন- ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত উপ-কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (এডিসি) আশরাফুল আলম।
জানা যায়, অভিযুক্তরা হলেন- শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু জাফর আলী বিশ্বাস ও পরিদর্শক (অভিযান) আবুল কালাম আজাদ। এ ছাড়া দাঙ্গা দমন বিভাগের (পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট-পিওএম) পাঁচ কনস্টেবলের নামও আছে।
গত ২০ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচির সময় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমান চোখে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হন। ঘটনার পর প্রথমে তাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং পরবর্তীতে সরকারি খরচে ভারতের চেন্নাই পাঠানো হয়।
ঘটনার পর অভিযোগ উঠে, পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলের (কাঁদানে গ্যাস) আঘাতে সিদ্দিকুর চোখে আহত হন। কিন্তু ডিএমপির পক্ষ থেকে প্রথমে তা অস্বীকার করা হয়। পরে বিষয়টি গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচিত হতে থাকলে সরকার সিদ্দিকুরের চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়। এছাড়া পুলিশ ঘটনাটি তদন্তে দুটি পৃথক কমিটি গঠন করে।
বর্তমানে চেন্নাইয়ের শংকর নেত্রালয়ে চিকিৎসাধীন আছেন সিদ্দিকুর। গত শুক্রবার তার অপারেশন হয়। শনিবার চোখের ব্যান্ডেজ খোলা হলে বাম চোখে সামান্য আলো দেখতে পান তিনি। তবে দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসেনি। তার দৃষ্টিশক্তি ফিরবে কি ফিরবে না তা নিশ্চিত হতে আরও দুই মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছে শংকর নেত্রালয়ের চিকিৎসকরা। জনকন্ঠ