May 4, 2026
কুমিল্লার প্রথম শিরোপা জয়ের নায়ক অলক কাপালি। অথচ ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ কোনও দলই তাকে দলে ভেড়ায়নি। তারপরও মাশরাফির অনুরোধে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে বিপিএল তৃতীয় আসরের ঠিকানা হয় অলক কাপালির। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লার হয়ে নামতে পারেননি অলক। পরের থেকে দলে নিয়মিতই ছিলেন। মাঝে অবশ্য একটি ম্যাচে সাইড বেঞ্চে বসেছিলেন।
দশ ম্যাচে মাত্র ৯৫ রান করলেও ফাইনালে কুমিল্লার নায়ক তিনি। চাপের মুখে ৩৯ রানের নজরকাড়া ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন। শিরোপা জিতিয়েছেন কুমিল্লাকে। ম্যাচ জয়ের পর অলক কাপালি বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা ছিল শেষ ওভার পর্যন্ত খেলা। শেষ ওভারে ১৭ রান টার্গেট থাকলেও জেতা সম্ভব। আমার বিশ্বাস ছিল আমি পারবো।’
শেষ ২ বলে যখন ৩ রান তখন কি পরিকল্পান ছিল এমন প্রশ্নে অলক কাপালি বলেন, ‘আমি কুলাসাকারাকে বলেছি কোনও ঝুঁকিপূর্ণ শট খেলবো না। এক রান করে নেব। আমার মনে হয় রিস্কি শট খেললে সুপার ওভার হওয়ার চান্স থাকতো। এই কারণে শুধু সিঙ্গেল নিয়েছি। ওটাই আমার পরিকল্পান ছিল।’
তবে নির্বাচকদের জন্য এটাকে কোনও বার্তা মনে করছেন না অলক কাপালি। তিনি জানান, আমি কাউকে কোনও বার্তা দিচ্ছি না। আমার পরিকল্পনা এখন যেখানেই খেলবো ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করবো। বর্তমান বাংলাদেশ দল খুব ভালো খেলছে। আমারও খুব ভালো লাগে আমি এই দলে এক সময় খেলেছি। কিন্তু কোনওমতেই এটাকে ক্যামব্যাক বলবো না। ভালো খেললে সুযোগ আসতেই পারে।’
মাশরাফির সাপোর্টকে বড় করে দেখছেন অলক কাপালি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাকে সব সময় সাপোর্ট দিয়েছে মাশরাফি। ও যেগুলো বলেছে এটা আমার খুব কাজে দিয়েছে।’
২০০৮ সালে করাচিতে ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের একমাত্র ওয়ানডে সেঞ্চুরি করেছিলেন অলক। ওই ম্যাচ বাংলাদেশ হারলেও বেশ আনন্দ পেয়েছিলেন অলক। এটাকে ছাড়িয়ে গেলেন মঙ্গলবার নিজেই। নিজের মুখেই বললেন, ‘ওই আনন্দ অনেক ভালো লাগার ছিল। তবে এরপরও আজকে অনেক আনন্দ পেয়েছি।’