May 7, 2026
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীতে বেপরোয়াভাবে চলছে মোটর সাইকেল। এমন বিশৃক্সখল চলাফেরায় দুর্ঘটনাসহ নানা বিড়ম্বনায় পড়ছে পথচারীসহ অন্যান্য যানবাহন। কঠোর শাস্তির মাধ্যমে মোটরসাইকেল আরোহীদের নিয়ন্ত্রণে আনার পরামর্শ নগর পরিকল্পনা বিদদের। শিগগিরই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর বি আরটিএর সহযোগিতায় চালকদের শৃক্সখলায় আনার অঙ্গীকার ট্রাফিক বিভাগের।
প্রতিদিন অধিকাংশ রাস্তার মোড়ে ট্রাফিকের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করছে মোটরসাইকেল চালকরা। বিশেষজ্ঞসহ সাধারণ মানুষের মত রাজধানীতে অন্যান্য যানের কারণে ঘটে যাওয়া অজস্র দুর্ঘটনার অন্যতম উৎস এসব মোটরসাইকেল আরোহীদের বেপরোয়া চলাচল।
সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশৃক্সখলার পেছনেও রয়েছে মোটরসাইকেল। ঘন ঘন দিক পরিবর্তন ওভারটেকিং ছাড়াও ফুটপাতে উঠে সাধারণ পথচারীদের আতঙ্ক হয়ে উঠেছে যন্ত্রচালিত এই দুই চাকার যান। অনিয়ন্ত্রিত এসব আরোহীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর শাস্তি প্রয়োগের পরামর্শ নগর পরিকল্পনা বিদদের।
নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব বলেন,‘এই মোটরসাইকেলের চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স জনিত নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করা প্রয়োজন। এবং তাদেরকে এ ধরণের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে কঠোরভাবে জরিমানা করা, লাইসেন্স বাতিল করা এবং ফুটপাতের উপর দিয়ে চললে ওই মোটরসাইকেল বাজেয়াপ্ত করার মত দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে।’
শিগগিরই অত্যাধুনিক ক্যামেরা ও কঠোর লাইসেন্সিং এর মাধ্যমে মোটরসাইকেল চালকদের নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস ট্রাফিক বিভাগ প্রধানের।
ডিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন,‘মোটরসাইকেল কিংবা অন্য কোন গাড়ি ফুটপাত দিয়ে চালালে বা রং রোডে ঢুকলে আমরা এদের ছবি উঠিয়ে রাখব। ছবি উঠিয়ে এই নাম্বারের বিপরীতে বি আরটিএ থেকে ঠিকানা নিয়ে আমরা কেস সিøপ তাদের বাসায় পাঠিয়ে দেব।
তাহলে আমাদের জনবলের অপচয় না করেও এগুলো সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাব।’ সমস্যা সমাধানে বিদ্যমান আইনের সংশোধনের মাধ্যমে জরিমানা ও শাস্তির মাত্রা বাড়ানোর পরামর্শ ট্রাফিক বিভাগের।