পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

মোদীর ঐতহিাসকি সফর

Posted on June 9, 2015 | in নির্বাচিত কলাম | by

1433779037হাসনাত আবদুল হাই
ভারতরে প্রধানমন্ত্রী নযিুক্ত হয়ে নরন্দ্রে দামোদর মোদী তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যখন র্সাক জোটভুক্ত দশেগুলোর সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানান তখনই বোঝা গয়িছেলি য,ে তনিি তার পররাষ্ট্রনীততিে প্রতবিশেীদরে সঙ্গে সুসর্ম্পক স্থাপনরে ওপর বশিষে গুরুত্ব দবেনে। কন্তিু এরপর তনিি ভুটান, নপোল ও শ্রীলঙ্কা সফরে গলেওে বাংলাদশেে আসনেন,ি কবে আসবনে তাও জানানন।ি এতে করে মনে হয়ছেে তনিি বুঝি বাংলাদশেরে প্রতি বরিূপ এবং বাংলাদশেরে সঙ্গে সুসর্ম্পক স্থাপনে তার তমেন আগ্রহ নইে।
নউিইর্য়কে জাতসিংঘরে সাধারণ অধবিশেনে যোগদানরে সময় বাংলাদশেরে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিার সঙ্গে তার অনানুষ্ঠানকি সাক্ষাত্ হয়ছেলি। প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা মোদীকে দু’দশেরে মধ্যে বদ্যিমান সমস্যাগুলো সমাধানরে জন্য অনুরোধ জানালে তনিি উত্তরে বলনে, ‘আমার ওপর বশ্বিাস রাখুন’।
তখন এই উক্তকিে কূটনতৈকি চাল মনে হয়ছেলি। তাকে এবং তার দলকে অবশ্বিাস করার কারণ হসিবেে কাজ করছেে কংগ্রসে সরকাররে সময় স্থলচুক্তি সম্পাদনে বরিোধতিা। মনে হয়ছেে সইে বরিোধতিার জরে এখনো চলছ।ে কন্তিু এই ধারণা যে ভ্রান্ত, শগিগির তার প্রমাণ পাওয়া গলে। মোদীর দল ১৯৭৪ সালরে যে স্থলচুক্তি ২০১১ সালে বরিোধতিা করছেলি ২০১৫ সালে সইে চুক্তি সম্পাদনে তত্পর হয়ে উঠলো। এ সর্ম্পকে রাজ্যসভায় যে বলিটি ঝুলে ছলি সটেি পাস করার উদ্যোগ নয়োর পর অন্যান্য রাজনতৈকি দলে এমন কি বজিপেরি ভতের যে আপত্তি ছলি তা জয় করতে যা যা করা প্রয়োজন মোদী তাই করলনে। ফলে সকল দলরে মধ্যে ঐকমত্য প্রতষ্ঠিতি হলো এবং রাজ্য সভায় স্থলচুক্তি সংক্রান্ত বলিটি পাস হলো। মোদী সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদশেরে প্রধানমন্ত্রীকে সুসংবাদটি দলিনে এবং জানালনে চুক্তটিি চূড়ান্ত করার জন্য তনিি বাংলাদশে সফরে আসবনে। তখন বোঝা গলে তনিি কনে বাংলাদশেে ভারতরে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরপরই আসনেন।ি বাংলাদশেকে সন্তুষ্ট করবার মত কছিু না নয়িে তনিি এখানে আসতে চান না।
ভারতরে প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদশে সফররে প্রথম দনি ৬ জুন তারখিইে স্থলচুক্তরি প্রটোকল বনিমিয় হলো। এর ফলে ১৯৭৪ সালে ইন্দরিা-মুজবি স্থলচুক্তি চূড়ান্তভাবে সম্পাদতি হলো। প্রায় ১৬২টি ছটিমলরে অধবিাসীরা বহুদনিরে প্রত্যাশতি আইনি অধকিার পলে। বআেইনভিাবে অধকিৃত ভূমওি দুটি দশেরে মধ্যে বনিমিয় হওয়ার জন্য চুক্তি হলো। মোদীর বাংলাদশে সফরে স্থলচুক্তি সম্পাদনই ছলি সবচয়েে গুরুত্বর্পূণ। যে সমস্যাটি ৪১ বছর অমীমাংসতি ছলি তার চূড়ান্ত সমাধান হয়ে গলে।
স্থলচুক্তি ছাড়াও আরো ২১টি চুক্তি এবং প্রটোকল সম্পাদতি হয়ছে।ে এদরে মধ্যে রয়ছেে কলকাতা থকেে ঢাকা হয়ে আগরতলা এবং ঢাকা থকেে শলিং ও গৌহাটি বাস যাত্রার সূচনা। দুই প্রধানমন্ত্রী সরজেমনিে উপস্থতি থকেে উভয় রুটে বাস যাত্রার উদ্বোধন করলনে। এর ফলে কানকেটভিটিতিে নতুন মাত্রা যোগ হলো। দু’দশেরে মধ্যে বাস যাত্রা ছাড়াও স্থল ও নৌযাত্রায় ভারত থকেে উত্তর র্পূবাঞ্চলে মালামাল পরবিহনরে চুক্তওি সম্পাদতি হয়ছে।ে স্থলপথরে ওপর চাপ কমাবার জন্য উপকূলীয় অঞ্চলে নৌ-পরবিহন সর্ম্পকে চুক্তি হয়ছে।ে স্থলচুক্তরি পরই কানকেটভিটিরি জন্য দুই দশেরে মধ্যে সম্পাদতি চুক্তগিুলো গুরুত্বর্পূণ। ভারত বহুদনি থকেইে এই সুযোগ চয়েে আসছলি। বাংলাদশে প্রায় র্শতহীনভাবে ভারতকে এই সুযোগ দয়িে তার সদচ্ছিার প্রমাণ রাখলো।
মোদীর বাংলাদশে সফররে সময় ভারত সরকার যে ২০০ কোটি ডলার ঋণ দবেে সটেওি উল্লখেযোগ্য। ঋণরে র্অথ দয়িে কানকেটভিটিি শক্তশিালী করার উদ্দশ্যেে স্থল ও রলেপথরে সংস্কার করা হব।ে আশুগঞ্জ স্থলবন্দররেও উন্নয়ন করা হব।ে ঋণরে র্অথ দয়িে যা কনোকাটা করা হবে তার ৭৫ শতাংশ আসবে ভারত থকে।ে এই ঋণ দয়ো হবে সহজ র্শত।ে তবে দখেতে হবে ক্রয়কৃত পণ্যগুলো যনে নম্নিমানরে না হয়। সুদরে হার হবে শতকরা ১ ভাগ যা খুবই সন্তোষজনক। পরশিোধরে জন্য নর্দিষ্টি করা হয়ছেে ২০ বছর—এর সঙ্গে যুক্ত হবে আরো ৫ বছর। এর আগে ভারত যে ১০০ কোটি ডলার ঋণ দয়িছেলি তার ব্যবহার খুব সন্তোষজনক ছলি না। বাংলাদশে যমেন প্রকল্প তরৈতিে দরেি করছেে ভারতও প্রকল্পরে অনুমোদন দতিে র্দীঘ সময় নয়িছে।ে ভবষ্যিতে এমন হবে না বলে আশা করা যায়।
মোদীর সফররে সময় ক্রস র্বডার টরেরজিম নয়িে আলোচনা হয়ছে।ে ভারতকে আশ্বস্ত করা হয়ছেে য,ে ভারতকে সন্ত্রাসে আক্রান্ত হতে দবেে না বাংলাদশে। ভারতরে পক্ষ থকেে ভারতে গমনচ্ছেু বাংলাদশেদিরে ভসিা প্রদান আরো সহজ ও ঝামলোমুক্ত করার জন্য পদক্ষপে নয়ো হবে বলে জানানো হয়ছে।ে র্বডারে বএিসএফরে গুলতিে বাংলাদশেদিরে নহিত হওয়ার বষিয়টওি আলোচনায় এসছে।
র্অথনতৈকি সহযোগতিা বৃদ্ধরি জন্য সুস্পষ্ট পদক্ষপে নয়ো হয়ছে।ে ব-েসরকারি সংস্থা এডনি গ্রুপ ও রলিায়ন্সে গ্রুপ বাংলাদশেে প্রায় ৫০০০ (পাঁচ হাজার) মগোওয়াট বদ্যিুত্ উত্পাদনরে জন্য পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করব।ে বাংলাদশে ভারতরে শল্পি ও ব্যবসায়ীদরে—জন্য বশিষে র্অথনতৈকি এলাকা নর্দিষ্টি করে দবে।ে
এত কছিু ইতবিাচক ফলাফলরে মধ্যে হতাশাব্যাঞ্জক ছলি তস্তিা নদীর পানি বন্টন নয়িে কোনো চুক্তি না হওয়া। প্রথমে বলা হলওে পরে ভারতরে পক্ষ থকেে জানানো হয় য,ে মোদীর সফররে সময় তস্তিা চুক্তি হবে না। এর প্রধান কারণ পশ্চমিবঙ্গরে মুখ্যমন্ত্রীর বরিোধতিা। প্রকৃতপক্ষে মোদীর সফররে সবচয়েে রহস্যময় ঘটনা ছলি মমতার কৌশলী অবস্থান। তনিি মোদীর সফরসঙ্গী হনন,ি আগরে দনি চলে এসছেলিনে। মোদী-হাসনিার সব আলোচনায় অংশ ননেনি কবেল স্থলচুক্তরি সময় উপস্থতি ছলিনে আর দু’দশেরে মধ্যে বাস যাত্রা উদ্বোধনে অংশ নয়িছেনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আলাদাভাবে এসছেলিনে এবং ফরিওে গছেনে আলাদাভাব।ে নরন্দ্রে মোদীর সফরসঙ্গী হসিাবে তাকে উল্লখে করা হউক—এমনটা হয়তো তনিি চানন।ি এই সবরে মধ্য দয়িে তনিি তস্তিা নদীর পানি বন্টন নয়িে তার কৌশলগত অবস্থানরে কথা জানয়িে দয়িছেনে। স্মরণযোগ্য কয়কেমাস আগে তনিি যখন অভনিতো, অভনিত্রেী, তারকাদরে নয়িে ঢাকা সফরে আসনে তখন স্পষ্ট ভাষায় বলছেলিনে যে তার ওপর তস্তিা নদীর পানি বণ্টন বষিয়ে বাংলাদশেরে আস্থা রাখা উচতি। তার এবাররে সফরে সইে আস্থা কছিুটা র্দুবল হয়ে গলে। চুক্তি না হলওে বষিয়টি নয়িে আলোচনা হতে পারতো এবং একটা সময়সীমা বঁেধে দয়ো যতে।
নরন্দ্রে মোদী অবশ্য বলছেনে ভারত ও বাংলাদশেরে মধ্যে যে ৫৪টি অভন্নি নদী রয়ছেে সবগুলো নয়িইে সমাধানরে পথ বরে করতে হব।ে তনিি বশিষে করে বলছেনে, তস্তিা ও ফনেী নদীর পানি বণ্টন নয়িওে সুন্দর সমাধান হব।ে
নরন্দ্রে মোদী বাংলাদশেকে অনকে উপহার দয়িছেনে, পয়েছেনেও অনকে। দু’দশেরে মধ্যে সুসর্ম্পক স্থাপনে এখন প্রধান প্রতবিন্ধক হয়ে রইলো তস্তিা নদীর পানি বণ্টন। মোদী তার রাজনতৈকি প্রজ্ঞা ও কৌশল ব্যবহার করে অচরিইে এই সমস্যা সমাধান করবনে বলে বাংলাদশে আশা কর।ে
হ লখেক :কথাশল্পিী ও সাবকে সচবি

Comments are closed.

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud