April 29, 2026
এস এম নাহিয়ান: ব্যাপক কারচুপির অভিযোগে প্রধান বিরোধী দলের ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে ঢাকা ও চট্টগ্রামে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুরের আগেই প্রথমে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির ভোট বর্জনের কথা আসে। তার কিছুক্ষণ পর রাজধানী ঢাকায় বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা নির্বাচন বয়কটের কথা ঘোষণা করেন।
সেসময় সেখানে ঢাকা উত্তরের প্রার্থী তাবিথ আউয়াল এবং দক্ষিণে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও উপস্থিত ছিলেন।
এ নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতা মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘এটা কোনো নির্বাচনই হয়নি। গণতন্ত্রের প্রহসন হয়েছে।’ তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনও কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়নি।
ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকেও ভোটকেন্দ্র দখল, জাল ভোট ও জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিবিসি বাংলার সংবা“াতারাও কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখতে পান সেখানে গণহারে সরকারি দল সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে ভোট দেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রামের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মনজুর আলম ক্ষোভে রাজনীতি থেকেই সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
নির্বাচন কমিশন বলেন নির্বাচনের সময় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
তবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, অনিয়মের যেসব অভিযোগ তারা পেয়েছেন সেগুলো তারা খতিয়ে দেখবেন।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ বলেন, রাজনীতির জন্যে ইস্যু তৈরি করার লক্ষ্যেই বিএনপি পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বয়কট করেছে।
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, জনগণ বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কারণে নতুন একটি ইস্যু তৈরির জন্যে খালেদা জিয়া এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
গত বছর ৫ই জানুয়ারির সংসদ নির্বাচন বয়কট এবং এ বছর টানা কয়েক মাস ধরে সহিংস আন্দোলনে ক্ষান্ত দিয়ে বিএনপি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নেয়। অনেকেই মনে করেছে, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে হয়তো রাজনৈতিক অচলাবস্থার বরফ গলার একটা সুযোগ তৈরি হলো। কিন্তু আজ বিরোধীদের ভোট বয়কটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতি যে নতুন একটি অনিশ্চয়তায় পড়লো এনিয়ে খুব একটা সন্দেহ নেই। বিবিসি