April 4, 2026
বিনােদন ডেস্ক: মাসখানেক আগে ওমর সানি ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘তোর জন্য আমি গর্বিত বাবা। এখন আমি বলতে পারি, দেখো এ আমার ছেলে। তোর সঙ্গে কাজ করার জন্য অপেক্ষা করছি।’ অপেক্ষাপর্ব শেষ হলো ২ ডিসেম্বর। উত্তরার দিয়াবাড়িতে ওমরসানিকে এ দিন আবিষ্কার করা গেলো সন্তানের বাধ্যগত ছাত্র হিসেবে। ছেলে
ফারদিন এহসান স্বাধীন ক্যামেরার পেছনে। মনিটরে তার সতর্ক চোখ। সামনে বাবা দাঁড়িয়ে। সংলাপ বলছেন, এক্সপ্রেশন দিচ্ছেন। বারবার ফারদিন মাঝপথে আটকে দিচ্ছেন তাকে, ‘বাবা, ওই ব্যাক লুকটা আরেকবার দাও’ অথবা ‘বাবা, কমেডি না, অ্যাকশন টাইপ লুক হবে’। ওমর সানি মাথা ঝাঁকিয়ে মেনে নিচ্ছেন। আবার রোলিং, অ্যাকশন, সংলাপ। মুখোমুখি দাঁড়িয়ে দু’জন- ওমরসানি ও শহিদুজ্জামান সেলিম। সেলিমের পেছনে অস্ত্র উঁচিয়ে একদল সাঙ্গপাঙ্গ। এতো অস্ত্রের সামনে দাঁড়িয়েও সানির বিন্দুমাত্র ভয় নেই। গলা উঁচিয়ে কথা বলে যাচ্ছেন। যেন তিনি একাই একশো। সেলিম উচ্চৈস্বরে হাসছেন। শপাশে উৎসাহী লোকজনের ভীড় জমেছে। কোনভাবেই সরানো যাচ্ছে না তাদেরকে। এক দৃশ্য অনেকভাবে, অনেকক্ষণ ধরে ধারণ করা হচ্ছে। একটি ভালো কাজ উপহার দেওয়ার চেষ্টা- সংশ্লিষ্ট সবার ভেতরেই। ফারদিনের আগ্রহ নির্মাণে। এর আগে মা মৌসুমীর সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। নির্মাণ করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও। এবার তিনি পেশাদার পরিচালক। টেলিছবি ‘ডেসটিনেশন’ নিয়ে মাঠে নেমেছেন। ২ ডিসেম্বর ছিলো দৃশ্যধারণের প্রথম দিন। ওমরসানি ছাড়াও অভিনয় করছেন শহিদুজ্জামান সেলিম, সুজানা জাফর প্রমুখ। ডেসটিনেশন’-এ ওমরসানি বডিগার্ড ইব্রাহিম। সুজানার বডিগার্ড তিনি। এতে শহিদুজ্জামান সেলিমের দুই রূপ। এক চরিত্রের নাম সরদার, অন্যজন সেলিম। একজন খুবই ভালো, অন্যজন ভয়ানক খারাপ। এ চরিত্রগুলোর গন্তব্য জানাতেই ‘ডেসটিনেশন’।