April 18, 2026
চট্টগ্রাম: আদালত এলাকায় চটের থলে ভর্তি নগদ ৫৭ লাখ ৯২ হাজার টাকাসহ একজনকে আটকের ঘটনার এখনো রহস্য উদঘাটন হয়নি। টাকাসহ আটক ইলিয়াস পুলিশ হেফাজতে বিভ্রান্তকর তথ্য দিয়ে সময় পার করলেও সঠিক কোনো তথ্য না দেয়ায় বেকাদায় পুলিশ। রহস্য উদঘাটনে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে গতকাল বুধবার আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড চান তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালী থানার এসআই কামরুজ্জামান। তবে আদালত বৃহস্পতিবার শুনানীর দিন ধার্য করে ইলিয়াসকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার পূর্ব নির্ধারিত রিমান্ড শুনানির দিন এই ঘটনায় কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে আদালত কোতোয়ালী থানার ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিম এবং এসআই মো. কামরুজ্জামানকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সাথে আগামী রোববার কারণ দর্শানোর জবাব ও রিমান্ড শুনানির সময় নির্ধারণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম ফরিদুল আলম। নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বলেন, ‘টাকাসহ আটক ইলিয়াসের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা না দিয়ে তাকে কেন ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো এবং তার কাছ থেকে মোবাইল উদ্ধারের বিষয়টি জব্দ তালিকায় নেই কেন- এ দুটি প্রশ্নের কারণ দর্শাতে বলেছেন আদালত।’ উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম আদালতের অ্যানেক্স ভবনের সামনের সড়কে পুলিশের চেকপোস্টে একটি চটের থলে ভর্তি ৫৭ লাখ ৯২ হাজার টাকাসহ আটক হন ইলিয়াস। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা এলাকায় এবং তিনি নগরের ডবলমুরিং থানার পাঠানটুলি এলাকায় থাকতেন। এ ঘটনার পর ইলিয়াসের কাছ থেকে টাকা নিতে আসা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখার সার্ভেয়ার শহিদুল ইসলাম মুরাদের দিকে অভিযোগ উঠে। বুধবার জেলা প্রশাসনের ভূমি শাখার ১০ সার্ভেয়ার ও ২ কানুনগোকে বদলি করেন বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। ঘটনার তদন্তে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবুল হোসেনকে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়।