May 7, 2026
রাজশাহী: অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রুস্তম আলী আকন্দের হত্যার রহস্য উদঘাটন হতে শুরু করেছে। গত শুক্রবার বেলা ১টা ১৫ মিনিটে ওই হলের ২৩০ নং তার নিজ কক্ষে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার সময় তাৎক্ষণিক ভাবে করা জড়িত তা না জানা গেলেও ঘটনার দুই দিন পর হত্যাকান্ডের বিষয়টি সবার কাছেই পরিস্কার হয়ে গেছে।রুস্তমের কক্ষে ২ নেতা
হলের একাধিক আবাসিক শিার্থী জানান, দুপুর ১টার দিকে রুস্তম জুম্মার নামাজের জন্য গোষল শেষে তার কক্ষের সামনে আসে। ভেজা লুঙ্গি এবং গামছা তার কক্ষের সামনে একটি টেবিলে রেখে কক্ষের ভিতরে ঢোকে। এর পর বেলা ১টা ৫-৬ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রকাশনা স¤পাদক আবদুল্লাহ আল গালিব ও ছাত্রলীগকর্মী সেলিম রেজা তাঁর জানালার কাছে যান। জানালা থেকে কথা বলতে বলতে ওই দুজনকে রুস্তমের কে প্রবেশ করে। এর কিছুণ পর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ওই ক থেকে গুলির শব্দ ভেসে আসে। গুলির শব্দ ছিল খুবি কম। শব্দের আগে ও পরে রুস্তমের কে গালিব ও সেলিম উপস্থিত ছিলেন এবং আশপাশের কক্ষ থেকে তাঁদের কণ্ঠ শোনা গেছে বলেও নিশ্চিত করেছেন ওই হলের একাধিক শিক্ষার্থী।
রুস্তমের সাথে কথা কাটা-কাটি
গুলির শব্দ শোনার চার-পাঁচ মিনিট আগে রুস্তমের ২৩০ নং কক্ষের সামনে দিকে আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী যাচ্ছিলেন। ব্যাক্তিগত কাজে তার এক সহপাঠীর কাছে আসছিলেন তিনি। এ সময় তিনি ২৩০ নং কক্ষের ভিতর কয়েক জনের কথা কাটা-কাটির আওয়াজ শুনতে পান। তবে কোন বিষয়ে কথা কাটা-কাটি হচ্ছিল সে ব্যাপারে কোন কিছুই বলতে পারেন নি তিনি।
রুস্তমের রুম থেকে আর্তনাদ
গুলির আওয়াজের পর পরই ২৩০ নম্বর রুস্তমের কক্ষে থেকে উচ্চ স্বরে কিছু আতœনাদ শোনা যায়। যেগুলোর মধ্যে ছিল “এটা তুই এ কী করলি” এ কাজ করতে গেলি কেন”। ওই হলের এক শিক্ষার্থী এসব কথা জানান।
হল কমিটির কোন্দলে এ হত্যার সম্ভাবনা
আগামী ১০ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের কাউন্সিল। রুস্তম ওই হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। সভাপতি পদে রুস্তমের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সেলিম রেজা, আইন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সেলিম হোসেন ও মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিার্থী কবির হোসেন। অবশ্য কিছুদিন আগে রুস্তমের প্রার্থিতার কথা জানতে পেরে কবির হোসেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার সিদ্ধান্ত নেন। অপর দুই জনের সাথে চড়ম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন রুস্তম। এরই জের ধরে খুন করা হয়ে থাকতে পারে রুস্তমের। বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রুস্তমের খুন হওয়ার আগে তাঁর কে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যেই কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন।
হত্যাকান্ডের পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ স¤পাদক তৌহিদ আল তুহিনসহ ছাত্রলীগের নেতারা বলেছিলেন, খুনি কিংবা খুনিরা জানালা দিয়ে রুস্তকে গুলি ছোড়ে। সরেজমিন দেখা যায়, দ্বিতীয় তলার মধ্যব্লকে (পূর্বদিকে) রুস্তমের করে বাইরের জানালায় এমন কোনো গাছ নেই যে তা বেয়ে ওপরে উঠে কারো পক্ষে গুলি ছোড়া সম্ভব। মই কিংবা কিছু ব্যবহার করে ওপরের ওঠার নজিরও চোখে পড়েনি হলের শিক্ষার্থীদের কাছে।
কাউন্সিল নিয়ে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে কোন্দল আছে কী না এমন প্রশ্ন নাকচ করেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ স¤পাদক তুহিন। তিনি বলেন- রুস্তম, গালিব ও সেলিম সবাই সভাপতি রানার অনুসারী। “এখানে অন্তর্কোন্দলের কোনো সুযোগই নেই। কোনো একটি মহল গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।”
অন্যদিকে এ ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে রাবি ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক সোয়ব শাহরিয়া। তিনি বলেন, ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীন কোন্দলেই এ হত্যাকান্ড ঘটেছে। এর সাথে শিবিরের কোন সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি ছাপ জানিয়ে দেন।
রাবি ছাত্রলীগের মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর
দলীয়কর্মী হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচী পালন করেছে রাবি শাখা ছাত্রলীগ। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ মানববন্ধন ও গণস্বার কর্মসূচী পালন করা হয়।
ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদ আল তুহিনের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন রাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা। তিনি বলেন, ইসলামী ছাত্রশিবির পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। আমরা হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি।
ধর্মঘট অব্যাহত
মানববন্ধন থেকে রুস্তম হত্যায় জড়িতরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট অব্যাহত রাখার ঘোষনা দেয় রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানা। আজ সোমবার সকাল ১১টার সময় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচী পালনের ঘোষণা করেন তিনি।
ছাত্রহত্যার বিচারের দাবি রাবি সাদা দলের
বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্টবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রুস্তমকে গুলি করে হত্যার তীব্র নিন্দা এবং এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বাংলাদেশী জাতীয়বাদী ও ইসলামী মূল্যবোধে শিক্ষক গ্রুপের (সাদাদল) ৩০১ জন শিক্ষক। সাদাদলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এম. কামসুল আলম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বিগত দিনে ছাত্রহত্যাসহ অস্ত্রবাজী ও সন্ত্রসী কর্মকান্ড সংগঠিত হলেও কোন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হওয়ায় এ ধরনের ঘটনার পূর্ণাবৃতি ঘটছে বলে উল্লেখ করা হয়। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি ও ছাত্রলীগ ঘোষিত ধর্মঘটে অচল বিশ্ববিদ্যালয় স্বচল করার জোর দাবি জানান।
বিবৃতিতে অন্যান্যের মধ্যে স্বাক্ষর করেন, প্রফেসর এম. রফিকুল ইসলাম, প্রফেসর মামনুনুল কেরামত, প্রফেসর মু. আজহার আলী, প্রফেসর ড. এম. এ. হাসেম, প্রফেসর আব্দুর রহমান সিদ্দিকী, প্রফেসর এম নজরুল ইসলাম, প্রফেসর সি এম মোস্তফা, প্রফেসর আব্দুল হাই তালুকদার, প্রফেসর রফিকুল আলম রুমি, প্রফেসর ড. মো: আশরাফুজ্জামান, প্রফেসর এম এনামুল হক, প্রফেসর ড. বেলাল হোসেন, প্রফেসর নিজাম উদ্দিন, প্রফেসর আমজাদ হোসেন, প্রফেসর ড. হাছানাত আলী, প্রফেসর ড. আমিনুল হক, প্রফেসর মাইন উদ্দীন, প্রফেসর কে বি এম মাহবুবুর রহমান, প্রফেসর এ.বি.এম. শাহজাহান, প্রফেসর এফ নজরুল ইসলাম, প্রফেসর ড. হাবিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কোন বিভাগের কাস-পরীক্ষা হয়নি
রুস্তুম হত্যার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের ডাকে অনির্দিষ্টকালের ছাত্র ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনেও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগেই কাস-পরীক্ষা হয়নি। সকাল থেকে কোন রুটের বাস ছেড়ে যায়নি। খোজ নিয়ে জানা গেছে, ক্যাম্পাসে প্রায় ২০ টিরও অধিক বিভাগে পরীক্ষা চলছিল। কিন্তু ছাত্রলীগের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ছাত্র ধর্মঘটের কারনে সকল প্রকার পরীক্ষা স্তগিত করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানগণ। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে চড়ম ক্ষোভ ও হতাশা বিড়াজ করছে।
৩ বিভাগের মৌখিক পরীক্ষা বন্ধ করল ছাত্রলীগ
ধর্মঘট চলাকালীন রোববার রাবির অর্থনীতি বিভাগ (দ্বিতীয় বর্ষ), বাংলা (প্রথম বর্ষ) এবং আইন ও বিচার বিভাগের (দ্বিতীয় বর্ষ) মৌখিক পরীক্ষা চলার খরব শুনে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে গিয়ে মৌখিক পরীক্ষা বন্ধ করে দেয়। এসময় অর্থনীতি বিভাগের সভাপতির কক্ষের সামনে থাকা বেঞ্চ ভাঙচুর করে ছাত্রলীগ। ধর্মঘট উপেক্ষা করে মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়ায় ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে বলেও অভিযোগ ওঠে।
শিবিরের বিরুদ্ধে মামলা
রুস্তম হত্যার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মেহেদি হাসান বাদী হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর মতিহার থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় রাবি শিবিরের সভাপতি আশরাফুল আলমকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাত আরো ১০-১২ জন কে আসামী করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম। রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, ছাত্রশিবিরের সভাপতি আশরাফুল আলম ইমনকে প্রধান আসামি করে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। এ মামলায় অবিলম্বে শিবির সভাপতিকে আটকের দাবি জানান তিনি।
মামলার প্রতিবাদে শিবিরের বিক্ষোভ
ছাত্রলীগ নেতা রুস্তম হত্যার সাথে রাবি শিবির সভাপতিকে জড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের নেতাকর্মীরা। রাবি শিবিরের সংগঠনিক সম্পাদক শোয়েব শাহরিয়ার নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী কাজলা গেট থেকে মিছিল বের করে। মিছিলটি ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটকের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যেমে শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শিবির নেতা জিয়াউদ্দীন বাবলু। তিনি বলেন, অভ্যন্তরীন কোন্দলে ছাত্রলীগ নেতা রুস্তমকে হত্যা করা হয়েছে। যা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অথচ নগ্নভাবে তার সাথে শিবির এবং শিবির সভাপতি আশরাফুল আলম ইমনকে জড়িয়ে প্রকৃত হত্যাকারীদের আড়াল করতে ছাত্রলীগ মরিয়া হয়ে উঠেছে। তিবি অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে রুস্তম হত্যাকারীদের খুজে বের করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে হবে। পাশাপাশি হত্যাকারী কর্তৃক উদ্দেশ্যপ্রনিদ হয়ে শিবিরের নেতাকর্মীদের নামে মামলা প্রত্যাহার দাবী জানান।
দুই শিবিরকর্মী আটক
রুস্তম হত্যার সন্দেহে দুই শিবিরকর্মীকে আটক করা হয়েছে। রোববার সকালে রাজশাহীর বিনোদপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন রাবি শাখা শিবিরের অর্থ-সম্পাদক ছানাউল্লাহ জ্যাকি এবং শিবির কর্মী খুরশেদ আলম খুশি। মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবিএম রেজাউল করির বলেন, তাদের রুস্তম হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
রাবি শিক্ষকদের ভিসির সাথে সাক্ষাৎ
ক্যাম্পাসে শিক্ষার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি ও রুস্তম হত্যার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত করার দাবীতে ভিসির সাথে সাক্ষাৎ করেছে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যেবোধে বিশ্বসী গ্রুপ (সাদাদল) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। গতকাল রোববার বেলা ১ টার দিকে সাদাদলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শামসুল আলম সরকারের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একটি প্রতিনিধি দল ভিসির সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ ব্যাপারে রাবি শিক্ষক ফেরামের সভাপতি কে এ এম মাহবুবুর রহমান বলেন, আমরা রুস্তম হত্যার ঘটনায় একটি বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবী করেছি এবং ছাত্রলীগের ধর্মঘাট প্রত্যাহর করে শিক্ষার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির দাবী জানিয়াছি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর ড. তারিকুল হাসান বলেন, পুলিশ প্রশাসন এবং গোয়েন্দা সংস্থাকে এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্তদের আটকের জন্য তাগিত দেওয়া হয়েছে। আশা করি অতিদ্রুত এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (পূর্ব) প্রলয় চিচিম বলেন, ইতিমধ্যে এ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততার সন্দেহে দুই জনকে আটক করা হয়েছে। কোন ছাত্র সংগঠনের নেতাই আমাদের সন্দেহের বাহিরে রাখছি নায়। পুলিশ মাঠে কাজ করছে। আশা করি এর সাথে জড়িতদের খুব সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ছাত্র রুস্তম আলী আকন্দ হলের নিজ কক্ষে (২৩০) গুলিবিদ্ধ হয়। পরে শিক্ষার্থীরা রুস্তম আলীকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।