পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

জনগণের পকেট কাটতেই টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত:বিএনপি

Posted on March 25, 2014 | in রাজনীতি | by

1395733078ঢাকা: কুইক রেন্টালের মতো আবারো জনগণের পকেট কাটতে সরকার সড়ক পথে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।সড়ক পথে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, ডাকাতি ও দুর্ঘটনা বন্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে সরকারি দলের লোকজনদের পকেটভারী করার জন্যই সড়ক পথে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে সারা দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক, জেলা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়ক ব্যবহারের জন্য টোল আদায়ের নিয়ম করেছে সরকার। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই টোল নীতিমালা-২০১৪ এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।যদিও মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের একদিন পর যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, টোল নীতিমালার মাধ্যমে নতুন করে কোনো জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জেলা সড়কে টোল আরোপ করা হচ্ছে না। সড়কে টোল আদায়ে সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে রিজভী বলেন, এটা জনগণের ওপর আরেকটি জুলুম ও অত্যাচার করা হবে। এর আগে তারা বিদ্যুৎ, গ্যাস, জাতীয় অর্থনীতিকে লোপাট করেছে। কুইক রেন্টালের মাধ্যমে জনগণের পকেট কটেছে। এখন আবার তারা জনগণের পকেট কেটে লোপাট করার জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি বলেন, সড়কে দুর্ঘটনায় প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে। রাতে মহাসড়কে ডাকাতি হচ্ছে। জনগণের চলাচলের নিরাপত্তা দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিলে ভিন্ন কথা ছিল।এছাড়া এটাতো ইউরোপের কোনো দেশ নয় যেখানে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে। জনগণের পকেট কেটে সরকারি দলের লোকদের পকেট ভারি করতে এটা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। যে নির্বাচনে যত বেশি সহিংসতা হয়, সরকারের কাছে তা তত বেশি শান্তিপূর্ণ মনে হয় বলে মন্তব্য করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।তিনি বলেন, চতুর্থ দফার উপজেলা নির্বাচনে বর্তমান সরকারে সহিংসতা, ভোট ডাকাতি অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। চার দফা নির্বাচনে ভোট ডাকাতি করে এখন পঞ্চম দফা নির্বাচনেও তারা বিজয় ছিনিয়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করেছে। রিজভী আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, ৫ম দফার উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল নিজেদের অনুকূলে নিতে সরকার ইতিমধ্যে সারাদেশে সহিংসতার মাত্রা বৃদ্ধি করেছে। তিনি বলেন, জনসমর্থনহীন সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে বিএনপির নেতাকর্মীদের একের পর এক খুন, গুম করে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খরা বাহিনীকে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার বাণিজ্য করার সুযোগ করে দিয়েছে।৪র্থ দফায় উপজেলা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে রিজভী আহমেদ বলেন, উনার কথাবার্তা শুনে মনে হয় যতবেশি সহিংসতা ও খুন বেশি হবে তিনি ততই বলবেন নির্বাচন সূষ্ঠু হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান ক্ষমতাসীনদের অধীনে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনে বিএনপি কেন অংশ নেয়নি, উপজেলা নির্বাচনের মাধ্যমে দিন কে দিন তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনী সহিংসতার প্রতিবাদে কোনো প্রকার কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে কিনা জানতে চাইলে রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ৩১ মার্চ ৫ম দফা উপজেলা নির্বাচন শেষ হলে দলীয় নীতি নির্ধারণী ফোরামের সাথে আলোচনা করে পরবর্তীতে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাচনে ভোট ডাকাতি সহিংসতা, সন্ত্রাস এবং গুম-খুনের প্রতিবাদে আগামী ২৭ মার্চ সারাদেশে সকল উপজেলায় সকাল-সন্ধ্যা নির্বাচনি কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud