পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

সীমান্তে হত্যা কমেছে: জেনারেল আজিজ

Posted on March 2, 2014 | in জাতীয় | by

BGB2014ঢাকা: সীমান্ত হত্যা পূর্বের তুলনায় অনেক কমেছে বলে মন্তব্য করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ। সীমান্ত হত্যা প্রত্যাশিত নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে কাজ করে যাচ্ছে বিজিবি।  রোববার সকাল সাড়ে ১১ টায় বিজিবি সদরদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।  তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় যেন কোনো হত্যাকাণ্ডের ঘটনা না ঘটে সেজন্য বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে। তবে বিজিবির কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরও সকল সমস্যা মোকাবেলা করে সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান রোধ এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় বিচার বর্হিভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে কাজ করে  চোরাচালান রোধ ও সীমান্ত হত্যা বন্ধের ব্যাপারে বিজিবি প্রধান বলেন, এ সব ব্যাপারে বিএসএফ এর সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বিজিবি। সীমান্ত হত্যা
শূন্যের কোঠায় নামিয়ে না আনা পর্যন্ত বিএসএফ-বিজিবি এক সাথে কাজ করে যাবে। দুই দেশের স্বার্থেই সীমান্ত হত্যা বন্ধ জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ আরও বলেন, বিজিবি’র বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ভারত ও মিয়ানমার সীমান্ত বাহিনী নিজেদের সীমান্ত এলাকায় তাদের স্বার্থে রাস্তা তৈরি করেছে, কাঁটাতারের বেড়া দিয়েছে। আমাদের রাস্তাও নেই, সব জায়গায় আমাদের কাঁটাতারের বেড়াও নেই। এ কারণে অনেক আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও সীমান্ত চোরাচালান রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

তবে তিনি বলেন, আমাদের সীমান্তে ৯৩৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। রাস্তা নির্মাণ কাজ শেষ হলে বিজিবি আরও ভালো কাজ করতে পারবে। তিনি বলেন, মিয়ানমারের সাথে আমাদের যোগাযোগ সন্তোষজনক নয়। তাদের বৈদেশিক নীতির কারণে আমাদের আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও ভালো সাড়া মিলছে না। এ কারণে রোহিঙ্গা সমস্যাও সহসা মেটানো যাচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বিজিবি সফল দাবি করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, বিজিবি’কে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে যুগোপযোগী আইনের প্রয়োজনীয়তায় ২০১০ সালের ডিসেম্বরে “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে আইন-২০১০” তৈরি করা হয়। এই আইন যদি আরও আগে পাশ করা হতো তবে বিডিআর বিদ্রোহের মতো ঘটনা ঘটতো না। জঙ্গি ছিনতাই ও ২ জঙ্গি পলাতকের বিষয়ে সাংবাদিকদের  প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ঘটনার পরই আমরা ময়মনসিংহের ত্রিশালসহ দেশের সব সীমান্তে নিয়োজিত বিজিবি সদস্যদের সতর্ক করে দিয়েছি।  বিএসএফ-এর সাথেও যোগাযোগ করা হয়েছে যেন অপরাধীরা সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে যেতে না পারে।

সংবাদ সম্মেলনে বিগত ৫ বছরের বিজিবির সফলতা-ব্যর্থতার পরিসংখ্যান তুলে ধরে বলেন, বিজিবি একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। সরকার ও জনগণের প্রয়োজনে বিজিবি সীমান্তবর্তী এলাকার নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।   ফেলানী হত্যার রায় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফেলানী হত্যার রায় পুর্নবিবেচনার জন্য আগামী এপ্রিলে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বিজিবি’র পক্ষ থেকে বিএসএফ-এর কাছে ফেলানী হত্যার সুষ্ঠু বিচারের আবেদন জানানো হবে।

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud