February 21, 2026
হাসান: দেশে বর্তমানে নেই কোনো রাজনৈতিক উত্তাপ। নবনির্বাচিত সরকার কাজ করার ক্ষেত্রে তেমন কোনো রাজনৈতিক বা অন্য কোনো প্রতিরোধের মুখেও নেই। তবু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামে থেকে যাচ্ছে অসাঞ্জস্যতা। বিশেষ করে রাজধানীর কাঁচাবাজারে দেখা যাচ্ছে কোনো পণ্যের দাম চোখ কপালে তুলে দেওয়ার মতো, আবার কোনো পণ্যের দাম কৃষককে হুমকিতে ফেলার মতো।
আজ রাজধানীর কারওয়ানবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, আলুর দাম সেই আগের মতোই আছে। বেশ কিছুদিন আগে আলুচাষীদের রাস্তায় আলু ফেলে তা যানবাহণে পিষ্ট করে, মানববন্ধন করে এবং ধলেশ্বরীতে বস্তার পর বস্তা আলু ফেলে প্রতিবাদ কোনো প্রভাবই ফেলতে পারেনি এর দামে। আজো মুন্সীগঞ্জের ডায়মণ্ড আলু ৭ টাকা কেজি এবং বগুড়ার আলু ৪ কেজি পাইকারি দরে বিক্রি হয়েছে।

এছাড়া সব্জির দামেও দেখা গেছে মিশ্রতা। বাজার ঘুরে দেখা যায়, কুমড়া প্রতিটা ২৫ টাকা, ফুলকপি ১৫ টাকা, বাঁধাকপি ১৫ টাকা, শিম প্রতি কেজি ১২ থেকে ১৫ টাকা, টমেটো ১০ টাকা, বেগুন ২২ থেকে ২৫ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ১৮ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ১৮ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে করল্লার দাম এখনো আকাশ ছোঁয়া। খুচরা দরে প্রতি কেজি ৮০ টাকা করে করল্লা বিক্রি হতে দেখা যায়। অপরদিকে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে মাছের দাম এ সপ্তাহেও বেশ চড়া। কারওয়ানবাজার ঘুরে দেখা যায়, ইলিশ প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, শোল ৩০০, শিং ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ১৩০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙ্গাস ১২০ টাকা, পুঁটি ১০০ টাকা এবং কৈ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা খুচরা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে চালের দামও একই স্থানে দাঁড়িয়ে আছে আগের মতো। কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, মিনিকেট ৪৭ টাকা, নাজির ৪৮ টাকা, বিআর-২৮ ৪১ টাকা, বিআর-২৯ ৪০ টাকা, পারি ৩৬ টাকা এবং মোটা চাল ৩৬ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, চালের দাম পরবর্তী মৌসুম পর্যন্ত আর কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও আড়ৎদার এবং আমদানিকারকরা বাজারে অল্প অল্প করে চাল ছাড়ায় কৃত্রিম চাহিদা তৈরি হচ্ছে। ফলে দাম কমছে না।