পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

ইট ইজ ওপেন টু চ্যালেঞ্জ

Posted on February 27, 2014 | in স্বাস্থ্য | by

nurul-huda-0120140227155612ঢাকা : রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. নূরুল হুদা বলেছেন, ‘ইট ইজ ওপেন টু চ্যালেঞ্জ। আমার মাধ্যমে রাজউকে কোনো দুর্নীতি হয়নি।’ বৃহস্পতিবার দুপুরে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। সাবেক সচিবের প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে রাজউক চেয়ারম্যানকে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব (বর্তমানে প্রবাসীকল্যাণ সচিব) খোন্দকার শওকত হোসেনের বিরুদ্ধে রাজউকের বিভিন্ন প্রকল্পে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক যতন কুমার রায় রাজউক চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। নূরুল হুদা সাংবাদিকদের বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি যে আমি দায়িত্বে থাকাকালীন কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। একজন ভিআইপি সম্পর্কে তথ্য জানতেই আমাকে দুদকে ডাকা হয়েছে। অন্য কিছু নয়।’ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজউক চেয়ারম্যানকে তলব করে চিঠি দেওয়া হয়েছিল।

অভিযোগের বিষয়ে দুদক সূত্র জানায়, শওকত হোসেন সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব থাকাকালীন বেআইনিভাবে নামে-বেনামে বিভিন্ন প্রকল্পে একাধিক প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন এবং প্রভাব খাটিয়ে আকার পরিবর্তন করেছেন। দুদক ইতিমধ্যে রাজউকের কাছ থেকে এ সংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহ করেছে। দুদক সূত্র থেকে জানা যায়, খোন্দকার শওকত হোসেন ২০০১ সালে নিজের নামে সম্প্রসারিত উত্তরা প্রকল্পে ৩ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়ে ৫ কাঠায় উন্নীতকরণ, সেখান থেকে পরে ২ কাঠা বিক্রি এবং পরে ডেভেলপমেন্টের জন্য পুরো ৫ কাঠার আমমোক্তারনামা প্রদান, ২০০৪ সালে পূর্বাচল প্রকল্পে স্ত্রী আয়েশা খানমের নামে সাড়ে ৭ কাঠার প্লট বরাদ্দ নিয়ে প্রথমে ১০ কাঠা এবং পরে সাড়ে ১২ কাঠায় উন্নীত করেন। রাজউকের উত্তরা আবাসিক প্রকল্পে অভিনব কায়দায় মায়ের নামে নিয়েছেন ৩ কাঠার প্লট। একই পন্থায় ৩ কাঠার প্লটকে ৫ কাঠায় উন্নীত করার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া দুদক সূত্রে আরো জানা যায়, প্রভাব খাটিয়ে সচিব উত্তরা আবাসিক প্রকল্পের ১৪ নম্বর সেক্টরের ১৬ নম্বর রাস্তায় ১০৬ নম্বর প্লটটি প্রথমে তার বন্ধু আবু হানিফ মাহমুদের নামে বরাদ্দ নেন। ১৯৯৫ সালের ১২ মার্চ হানিফের কাছ থেকে সাফ কবলা ক্রয় দেখান তার মা জাকিয়া আমজাদের নামে। তার মাকে দিয়েই ৩ কাঠার প্লট ৫ কাঠায় উন্নীত করার আবেদন দেন। তাই দুদক এসব বিষয়ের সত্যতা যাচাই-বাছাই করার জন্য রাজউক চেয়ারম্যানের বক্তব্য নেওয়া জরুরি বলে তাকে তলব করেছে।

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud