May 7, 2026
ঢাকা: জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাসহ সব যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে টানা ১০ম দিনের মতো চলমান প্রজন্ম চত্বরে তারুণ্যের অবস্থানকে ঘিরে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
বৃহস্পতিকার সকাল থেকেই প্রজন্ম চত্বরের চারিদিকে কড়া নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রতিটি প্রবেশপথে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি। পুলিশ প্রজন্ম চত্বরে প্রবেশের সময় প্রতিটি নাগরিকের দেহ ও ব্যাগ তল্লাশি করছে। স্কুল-কলেজের ছাত্রীদেরও ব্যাগ তল্লাশি বাদ যাচ্ছে না।
চত্বরে চারটি প্রবেশপথ বিশেষ করে আজিজ মার্কেটের রাস্তা, শিশু পার্ক মোড়, রুপসী বাংলার প্রবেশপথ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশপথে মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব।
এ বিষয়ে প্রজন্ম চত্বরের পূর্ব পাশে অবস্থানকারী পুলিশের কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা সাংবাদিক। দেশের কি অবস্থা আপনারা তো আমাদের চেয়ে ভালো জানেন।’
তিনি বলেন,“ জামায়াত-শিবিরের হামলা করতে পারে এজন্য বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এক হাজার র্যাব,পুলিশ প্রজন্ম চত্বরের আশেপাশে অবস্থান নিয়েছে।”
সকাল ১১ টার দিকে প্রজন্ম চত্বরে গিয়ে দেখা যায় অন্যান্য দিনের তুলনায় লোকসমাগম কম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ, মেডিকেল কলেজ ও বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ড্রেস পড়া শিক্ষার্থীরা সেøাগান দিচ্ছে।
এ সময় ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষার্থী ফারুক আহমেদ জানান, আমি প্রতিদিনই সকালে শাহবাগ আসি। ক্লাস থাকলে চলে যাই। আবার সন্ধ্যায় আসি।’
লোকসমাগমের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আজকে প্রচ-রোদ আর ভ্যালেন্টাইন ডে’র কারণে তরুণ-তরুণীরা এখনো আসেনি। বিকেলে হয়তো আসবে।’
ভিকারুন্নেসা স্কুলের শিক্ষার্থী তানিশা গালিব বলেন,‘ আজকে রাস্তায় অনেক পুলিশ তাই আমার অনেক বান্ধবীরা আসেনি।‘
তিনি আরো বলেন, ‘কাদের মোল্লার ফাঁসির দাবিতে সেøাগান দিতে আমরা তিন বন্ধু এসেছি।