পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

৫৭ ধারার অপব্যবহারে মুক্ত গণমাধ্যমে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

Posted on July 24, 2017 | in আইন-আদালত, জাতীয়, সারা দেশ | by

ডেস্ক রিপোর্ট : তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারার অপব্যবহারের ফলে মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যমে চাপ বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এ কারণে এ ধারা বাতিলের দাবি উঠছে। এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধারায় যেসব মামলা হয়েছে তার কোনটিই সরকার করেনি। ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধারার অপব্যবহার করে মামলা করা হচ্ছে। আর যেই এই ধারায় মামলা করুক না কেন, এতে সংবাদ কর্মীসহ মুক্ত চিন্তার মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন।’

রবিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বগুড়া সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিইউজে) আয়োজিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘আইনমন্ত্রী ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, এ ধারা সংশোধন করা হচ্ছে। এর পরিবর্তে যে ধারাই আসুক, সেখানে যেন তার অপব্যবহারের সুযোগ না থাকে আমরা সে দাবিও জানিয়েছি। তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ফেসবুক বা অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে যেন অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ত্রাস বা নাশকতা করা না যায় সেজন্য অবশ্যই আইন থাকতে হবে।’

সভায় বিইউজের সভাপতি আমজাদ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাধারণ সম্পাদক জেএম রউফ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন, বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক লালু, বিএফইউজের সহ-সভাপতি প্রদীপ ভট্টাচার্য্য শংকর, যুগ্ম মহাসচিব জিএম সজল, প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম নয়ন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ রেহমান প্রমুখ।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘বিগত চারদলীয় জোট সরকার ১৯৭৪ সালে সাংবাদিকদের জন্য বিশেষভাবে প্রণীত শ্রম আইনটি বাতিল করে সাধারণ শ্রম আইনের আওতায় সাংবাদিকদের নিয়ে আসে। বর্তমান সরকার সেই আইনটি পুনর্বহালের উদ্যোগ নিয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিকদের শুধুমাত্র শ্রমিকের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না দেখার কারণেই ১৯৭৪ সালে বিশেষ আইনটি করেছিলেন। এই আইন পুনর্বহালসহ আধুনিকায়নের মাধ্যমে তার প্রতি বর্তমান সরকার সম্মান জানাতে চায়। তিনি যুদ্ধাপরাধী মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িক ও জাতীয় স্বার্থ বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে নিরপেক্ষতা থাকার কোনও সুযোগ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘নবম ওয়েজ বোর্ড গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন। অচিরেই তা গেজেট আকারে প্রকাশ হবে। এই ওয়েজ বোর্ডে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াকেও সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্ঠা বলেন, ‘কালো টাকার মালিকদের হাতে যখন গণমাধ্যম চলে যায়, তখন তারা সেটিকে জনস্বার্থ বা রাষ্ট্রীয় স্বার্থে ব্যবহার না করে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে। ফলে গণমাধ্যমের ভূমিকা ও সাংবাদিকতা নানাভাবে প্রশ্নের মুখে পড়ে।’

এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সকল ভেদাভেদ ভুলে নীতি-নৈতিকতার প্রশ্নে এবং দেশের স্বার্থে এক হওয়ার আহ্বান জানান।

সূত্র : বাংলাট্রিবিউন।

Comments are closed.

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud