April 19, 2026
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে নারীদের হয়রানি নিয়ে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের প্রতিবেদন মেনে নিতে নারাজ শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। তার প্রশ্ন, যেহেতু এই খাতে নারীরাও সংখ্যাগরিষ্ঠ তাই প্রতিবেদনের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়। “আমি জানি এই শিল্পে প্রায় ৮৫ শতাংশ শ্রমিক নারী। আমার প্রশ্ন, ১৫ শতাংশ পুরুষ কিভাবে ৮৫ শতাংশ নারীকে নির্যাতন করে?” রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বুধবার পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের হয়রানি ও সহিংসতা প্রতিরোধ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তব্যে জাতিসংঘ সংস্থার প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। গত ৩ ডিসেম্বর ঢাকায় এক কর্মশালায় ইউএনএফপি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মরত ৮৪ দশমিক ৭০ শতাংশ নারী শ্রমিকদের কোনো না কোনোভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যানের পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, বর্তমানে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর পরিবেশ আগের চেয়ে ভালো। “পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের নির্যাতনের চিত্র আগের মতো নয়। বর্তমানে কারখানাগুলোর কর্মপরিবেশের উন্নতি হয়েছে। হাই রিস্ক গার্মেন্টের সংখ্যা দুই শতাংশেরও কম হব শিকার এই শ্রমিকরা তোবা গ্রুপের। বেতন-বোনাস না পেয়ে চার মাস আগে তাদের রাজপথে নামতে হয়েছিল হয়রানির শিকার এই শ্রমিকরা তোবা গ্রুপের। বেতন-বোনাস না পেয়ে চার মাস আগে তাদের রাজপথে নামতে হয়েছিল শ্রম আইন বাস্তবায়নের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে কোনো রকম বৈষম্য করা হচ্ছে না। “মালিক-শ্রমিক উভয়ই আমার কাছে সমান। কারণ আমি মালিকও নই, শ্রমিকও নই।” আওয়াজ ফাউন্ডেশন ও ফেয়ার ওয়্যার আয়োজিত এই আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য শিরীন আখতার। ফেয়ার ওয়্যার’র কান্ট্রি ডিরেক্টর শাতিল আরার সঞ্চালনায় ডিআরডি গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মো. আক্তারুজ্জামান, ওরিয়েন্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসিমউদ্দিন আহমেদও সভায় আলোচনা করেন।