March 15, 2026
ডেস্ক রিপোর্ট : সংযুক্ত আরব আমিরাতে ঘটে গেলো ঘটনাটি। এক ব্যক্তি তার সহকর্মীকে অভিশাপ দিয়েছিলেন। মুখে নয়, ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সেবা হোয়াটসঅ্যাপে। জরিমানা হিসেবে ৬৮,০০০ ডলার অর্থদ- গুণতে হতে পারে তাকে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই। দেশটির আইন অনুযায়ী, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ভঙ্গ করতে পারবেন না। সেটা করলে গুণতে হবে বড় অঙ্কের অর্থদ-। সম্প্রতি এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো এক বার্তায় তার সহকর্মী তাকে অভিশাপ দিয়েছেন এবং তার ক্ষতি করার হুমকিও দিয়েছেন। প্রমাণস্বরূপ, তিনি তার মোবাইল ফোনটি উপস্থাপন করেছেন আদালতে। ওই ব্যক্তি তাকে কি লিখেছিলেন, তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে তা দেশটির সাইবার দ-বিধির আওতায় পড়ে। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ আদালত এ অপরাধে ওই ব্যক্তির স্বল্প অর্থদ-ের রায় বাতিল করে দিয়েছে। ফলে, বড় অঙ্কের অর্থদ- থেকে নিস্তার পাচ্ছেন না তিনি। হোয়াটসঅ্যাপে অপর ব্যক্তিকে অভিশাপ দেয়ার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায়, নিম্ন আদালতের দুটি রায়ে ওই ব্যক্তিকে মাত্র ৮০০ ডলার জরিমানা পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছিল। সর্বোচ্চ আদালত ফেডারেল সুপ্রিম কোর্ট (এফএসসি) রায় দুটি বাতিল করে দেয়। নতুন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর রায় দেয়া হয়। জরিমানা হিসেবে তাকে ৬৮ হাজার ডলার পরিশোধ করতে হতে পারে। সেই সঙ্গে কারাদ-ও হতে পারে তার। নতুন আইনে জরিমানাসহ কারাদ-ের বিধান রাখা হয়েছে। আর, প্রবাসীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে, তাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের বিধান রয়েছে। নতুন বিচার প্রক্রিয়া কবে নাগাদ শুরু হবে, তা এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। ওই ব্যক্তির পরিচয় বা জাতীয়তা প্রকাশ করেনি আদালত। এদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তি সব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে কেউ যদি মধ্যাঙ্গুলি প্রদর্শনের ইমোটিকন পাঠান, তিনিও একই সাইবার দ-বিধির আওতায় পড়বেন।