March 5, 2026
ঢাকা: র্যাব-১০ এর অধিনায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর বলেছেন, ‘হোসেনী দালান চত্বরে শিয়াদের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো গ্রুপ বা ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়নি। ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে সুবিধা নেওয়ার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে করা ঘটিয়েছে সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগে হোসেনী দালানের গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত যে তিনজনকে আটক করা হয়েছে তাদের কাছ থেকে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় আটক করা হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘হোসেনী দালানের পরিচালকের সঙ্গে কথা হয়েছে। ঘটনার আগের দিন কোনো ধরনের হুমকি এসেছিল কি-না বা কোনো সন্দেহ হয়েছিল কি-না জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, আসেনি।’
আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় ২৩ অক্টোবর রাত ১টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর পুরান ঢাকার হোসেনী দালানের ইমামবাড়া চত্বরে পর পর তিনটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সাজ্জাদ হোসেন সানজু (১৮) নামে এক যুবক নিহত হন। আহত হন শতাধিক। এ ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করেছে। র্যাব জানায়, হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেডগুলো হাতে তৈরি ছিল। গ্রেনেডগুলো দালানের ভেতর থেকে মারা হয়েছিল। কারণ চত্বরের চারপাশে বড় বড় দেয়াল ও ভবন রয়েছে। বাইরে থেকে এগুলো মারা সম্ভব নয়।