February 1, 2026
স্টাফ রিপোর্টার: সোনার বার আত্মসাৎকারী রাজধানীর রামপুরা থানার ৩ পুলিশ সদস্যসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। আজ দুপুরে সিএমএম আদালতে পাঠানো হলে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল আরেফিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একটি গাড়ি থেকে উদ্ধারের পর ১৪৯ পিস সোনার বার আত্মসাতের অভিযোগে গতকাল রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম, কনস্টেবল আকাশ চৌধুরী এবং কনস্টেবল ওয়াহিদুল ইসলাম ও পুলিশের সোর্স মাহফুজ আলম রনি এবং জনৈক সজিব শিকদারকে আটকের পর আজ তাদের আদালতে তোলা হয়।
তবে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা না দিয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। গত ১৩ই মার্চ রামপুরা ব্যাংক কলোনি বালুর মাঠ এলাকায় থানার সাব ইন্সপেক্টর মঞ্জুরুল ইসলাম প্রাইভেট গাড়িকে দাঁড়াতে বলেন। এ সময় গাড়ির চালক গাড়ি দাঁড় করিয়ে ভেতরে থাকা আরও দু’জনসহ পালিয়ে গেলে সাব ইন্সপেক্টর মঞ্জুরুল গাড়ি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। পরে ১৬ই মার্চ রাতে গাড়িটি ছাড়িয়ে নিতে তদবির করতে আসেন ড্রাইভার সমির বিশ্বাস ও আরোহী মাহিন।
পুলিশ তাদের কাছ থেকেই জানতে পারে, গাড়ির মধ্যে সোনার বার আছে। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে তারা ৭০ পিস সোনার বার ভর্তি কালোব্যাগ গাড়ির ভেতর থেকে বের করে দেন। এ সময় পুলিশ তাদের আটক করে। অভিযোগ ওঠে, ওই গাড়িতে ২৩৫ পিস সোনার বার ছিল। এর মধ্যে ৭০ পিস উদ্ধার দেখিয়ে বাকিগুলো পুলিশ কর্মকর্তারা আত্মসাৎ করেন। এ অভিযোগে থানার দুই ওসি কৃপাসিন্ধু বালা ও নাসিম আহমেদ এবং সাব ইন্সপেক্টর মঞ্জুরুলকে প্রত্যাহার করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
পরে ঘটনার তদন্তে বাকি ১৬৫ পিস সোনার বার সাব ইন্সপেক্টরের নেতৃত্বে আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ তারা স্বীকার করেন, গাড়িতে থাকা ১৬৫ পিস সোনার বার তারাই আত্মসাৎ করেছিলেন।