April 18, 2026
স্পোর্টস ডেস্ক : টেস্ট সিরিজের পর রঙিন পোশাকের ক্রিকেটেও দাপুটে মেজাজে টাইগাররা। শুক্রবার সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে সাকিব আল হাসানের অলরাউন্ড নৈপূণ্যে ৮৭ রানের বড় জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ।
আসলে বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য সব রোগের ‘মহাষৌধ’ সাকিব আল হাসান। জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ ক্রিকেটের মধ্যে মূল পার্থক্য রেখার নামও ওই একজনই। যিনি দলের প্রয়োজনে ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে যেতে পারেন ভীমের মতো। আবার ভূমিকা বদলে বল ঘুরিয়ে প্রতিপক্ষকে উইকেটে তটস্থও করতে পারেন। আর সেটা দলের প্রয়োজনের সময়েই। তিনি প্রতিপক্ষের উইকেট সংগ্রহ করতে পারেন একেবারে মুড়ি-মুড়কির মতো!
সাগরিকায় ব্যাটিং ও বোলিং উভয় ক্ষেত্রেই শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩১ রানেই টপ অর্ডারের সেরা তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় বাংলাদেশ। এরপর ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন সাকিব। ব্যাখ্যাতীন সুন্দর একটি শতক করে দলকে কক্ষপথে ফেরার দেশসেরা ক্রিকেটার। ৯৯ বলে ১০ চারের মারে ১০১ রান করে আউট হন সাকিব। এসময় তাকে যোগ্য সঙ্গত দেন মুশফিকুর রহিম। ৬৫ রান আসে মুশির ব্যাটে। এরপর লেজে বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ দিকে তুলির শেষ আঁচড় টানেন অভিষিক্ত সাব্বির রহমান। তিনি ঝড়ো ৪৪ রান করে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে ২৮১ উপহার দেন।
বোলিংয়ের সময়ও সেই চিত্রপট বদলায়নি। প্রথম পাঁচ ওভারে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও আল আমিন হোসেন বেড়ধক মার খেয়ে ৪২ রান দেয়ার পর সাকিবেই উদ্ধার পায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের ইনিংসে প্রথম আঘাত হানেন সাবেক টাইগার অধিনায়কই। ইনিংসের অস্টম ওভারে সিকান্দার রাজাকে ফেরানোর পর ভুসি সিবান্দাকেও ফেরান তিনি। পরে একে একে সাকিবের শিকার হয়েছেন এস মায়ার (১১) ও জন নিয়াম্বু (৪)। দুটি করে উইকেট পেছে মাশরাফি বিন মর্তুজা ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের টুঁটি চেপে ধরা হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে (৪৪) আউট করেন রিয়াদ। আর মাশরাফির শিকার হয়েছেন অর্ধশতক করা ব্রেন্ডন টেলর (৫৪)। ব্যক্তিগত ৫৪ রান করে মুশফিকের পাখির মতো উড়ন্ত এক ক্যাচে ব্যাটিং আয়ু শেষ হয় টেলরের। অবশ্য এর মাঝেই নিজ দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন তিনি। জিম্বাবুয়ে ৪২.১ ওভারে ১৯৪ রানে অলআউট হয়।