পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

সহযোগী সংগঠনই এখন আওয়ামী লীগের গলার কাঁটা : সৈয়দ আশরাফ

Posted on August 13, 2015 | in রাজনীতি | by

ঢাকা: প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল বা জোটের সঙ্গে হামলা- পাল্টা হামলার কিংবা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মত কোনও ঘটনা নেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের। কারণ বিরোধীদল এতটাই নিষ্ক্রিয় যে রাজপথ থেকে গলিপথে কোথাও তাদের উপস্থিতি নেই। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি আওয়ামী লীগ ও দলটির অঙ্গসংগঠনের কোনো কোনো নেতাকর্মী আধিপত্য বিস্তার, চাঁদা ও অবৈধ আয়ের ভাগাভাগি নিয়ে বিভিন্ন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে। এরফলে খুনোখুনি ঘটছে। সার্বিক পরিসিস্থিতে দলটির সহেযাগী সংগঠনগুলোই এখন আওয়ামী লীগের গলার কাঁটায় পরিণত হয়েছে।09-07-15-AL-JS-Saiyod-Asraf
সহযোগী সংগঠনগুলোর অতি সাম্পতিকালের কয়েকটি নেতিবাচক ও খুনোখুনির ঘটনা আওয়ামী লীগের শীর্ষমহল রীতিমত শংকিত হয়ে পড়েছে। আওয়ামী লীগেন সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ১১ আগস্ট ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত এক সভায় শঙ্কার বিষয়টি আর গোপন রাখেননি। তিনি বলেছেন, ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনার একটি আবহাওয়া আওয়ামী লীগ নেকাকর্মীরাই তৈরি করেছিল। মাঝে মাঝে আমার ভয় হয় সুযোগ সন্ধানীরা আবার নতুন কোন খেলায় মেতে ওঠে কিনা? নেতাকর্মীদের খাইখাই স্বভাব ত্যাগ করতে হবে বলে জানান আশরাফ।
0তার মুখ এমন বক্তব্য আগে শোনা যায়নি। গত কিছুদিনের মধ্য আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলো অতি ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ড ঘটিয়েছে। ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংর্ঘেষ মাগুড়াতে মায়ের পেটের শিশুজখম হয়েছে। রাজধানীতে কৃষকলীগের নেতাকর্মীরা গুলি করে হত্যা করেছে সৈনিক লীগের এক নেতাকে। যুবলীগের এক নেতা হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে শুল্ক কর্মকর্তাদের মারধর করেছে। শুল্ক গুদাম থেকে পণ্য লুটপাটের ঘটনা ঘটালেও এখন পর্যন্ত জড়িতদের বিরুদ্ধে না প্রশাসন না দলের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজ দলের হাতেই খুন হয়েছেন কয়কজন।
ঢাকা মহানগর যবলীগ দক্ষিণের নেতা বায়েজিদ মিল্কিকে হত্যা করেছে একই সংগঠনের নেতারা। এই ঘটনায় আসামী হয়েছেন যুবলীগ দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক আরিফ ও মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক টিপু। এই হত্যাকান্ডের অন্যতম আসামী যুবলীগ নেতা তানেক কথিত ক্রসফায়ারে মারা গেছেন। টেন্ডারবাজি নিয়ে বিরোধে স্বচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংর্ঘষ একাধিকবার গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে।
২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ক্ষমতাকালীন সময়ের চেয়ে বর্তমান সময়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অনেকটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে মিডিয়ায়।
মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক পিনু খানের ছেলে রনির হাতে দুজন নিরীহ লোকের হত্যাকান্ড আওয়ামী লীগের তিলকে কালি এঁকে দিয়েছে। এছাড়া মাদক মানব পাচারের সঙ্গে আওয়ামী লীগ দলীয় এক এমপির নাম বারবার আলোচনায় এসেছে। শিক্ষাঙ্গনে ছাত্রলীগের হাতে বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মীর মারধর ও হত্যার মত ঘটনা ঘটেছে। ফলে আওয়ামী লীগের অনেক সাফল্য এখন ম্লান হয়ে যাচ্ছে।আস

Comments are closed.

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud