পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

শাবি গিয়ে একবার রাবিশ বলে আসেন: অর্থমন্ত্রীকে সুরঞ্জিত

Posted on November 21, 2014 | in রাজনীতি | by

muh-surস্টাফ রিপোর্টার : সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত। তিনি বলেছেন, ‘ওই এলাকার সংসদ সদস্য অর্থমন্ত্রী। তিনি যেন সেখানে গিয়ে একবার রাবিশ বলে আসেন।’
রাজধানীর সেগুনবাগিচার মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘরে শুক্রবার সকালে তিনি এ কথা বলেন। চলমান রাজনীতি নিয়ে ওই আলোচনা সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু একাডেমী।
প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তারের জের ধরে বৃহস্পতিবার শাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়। সারা দিনব্যাপী সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সুরঞ্জিত বলেন, ‘বিগত সময়ে যখন ছাত্রলীগ সিলেট এমসি কলেজ পোড়ানোর ঘটনা ঘটায়, তখন শিক্ষামন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী দুজনই গিয়েছিলেন। তখন শিক্ষামন্ত্রী সেখানে গিয়ে কেঁদেছিলেন। আমি এবারও শিক্ষামন্ত্রীকে বলব, আর কিছু না পারেন একবার সেখানে গিয়ে কাঁদেন। আর অর্থমন্ত্রীকে বলব সেখানে গিয়ে রাবিশ বলে আসেন।’
ছাত্রলীগ নিয়ে তার উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগকে রক্ষা করতে হবে। গুটি কয়েক কর্মী ছাত্রলীগের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসকে ম্লান করে দিচ্ছে। সময় চলে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ছাত্রলীগকে আবার নীতি ও আদর্শের পথে নিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী কষ্ট করে যা কিছু অর্জন করছেন তা কয়েকজনের কারণে ম্লান হয়ে যাচ্ছে।’
সোনা চোরাচালানে বিমান কর্মকর্তাদের জড়িত থাকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সুরঞ্জিত। এ বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি দাবি করেন আওয়ামী লীগের এই জ্যেষ্ঠ নেতা।
তিনি বলেন, ‘বিমানের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা বিমান চালানো বাদ নিয়ে এখন সোনা চোরাচালানের দায়িত্ব নিয়েছেন। এবার রাঘব বোয়াল নয়, ছোট পদের রুই, মৃগেল ধরা পরেছে। এর পিছনে আরও বড় রাগব বোয়াল রয়েছে। এ জন্য উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি হওয়া প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম, সোনা চোরাচালানে বিমান কর্মকর্তা ধরা পরার পর মন্ত্রী অন্তত একবার বিমানবন্দরে যাবেন। বিমানমন্ত্রী ও বিমানের চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব নিয়ে বলতে হবে— এ বিষয়ে তারা কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন।’
এ সময় আইন মন্ত্রণালয়কেও এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি।
সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হত্যার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, গোয়েন্দ সংস্থা ও পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করলে আমাদের বিচলিত হতে হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকার সংসদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ সেলিম।

Comments are closed.

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud