May 7, 2026
সিলেট প্রতিনিধি: সিলেটে পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার শিশু সামিউল আলম রাজন (১৩) হত্যার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। অমানুষিক নির্যাতনের সময় মাথায় আঘাতের ফলে মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়। শিশু রাজনের শরীরে ৬৪টি জখমের চিহ্ন রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে ময়নাতদন্তের ওই প্রতিবেদনটি পুলিশের কাছে পৌঁছে। সিলেট মেট্রোপলিটনের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকতার হোসেন এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার সিলেট নগরীর কুমারগাঁওয়ে শিশু সামিউল আলম রাজনকে (১৩) চুরির অপবাদ দিয়ে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পৈশাচিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে রাজন মারা গেলে তার লাশ গুম করার চেষ্টাকালে পুলিশের হাতে আটক হয় মুহিত আলম।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে এসএমপি’র জালালাবাদ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় মুহিত আলম (৩২) ও তার ভাই কামরুল ইসলাম (২৪), তাদের সহযোগী আলী হায়দার (৩৪) ও চৌকিদার ময়না মিয়াকে (৪৫) আসামি করা হয়েছে।
এদিকে পৈশাচিক এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ইসমাঈল হোসেন আবলু (৩২) নামে আরেকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) জালালাবাদ থানা এলাকার লামাকাজি মিরেরগাঁও থেকে সোমবার ভোরে ইসমাঈলকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ইসমাইল শিশু রাজন হত্যার আসামি মুহিত আলমের তালতো ভাই।