March 13, 2026
ইসলাম ডেস্ক: কোন কোন পশু দিয়ে কোরবানি করা যাবে। এদের ধরণ ও বয়স কেমন হবে। আর কি ধরণের পশু দিয়ে কোরবানি বৈধ নয়। কোরবানির পশু ক্রয়ের আগে এ সকল বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। ইসলামি নির্দেশ অনুযায়ী ছাগল, ভেড়া, দুম্বা, গরু, মহিষ ও উট এই ছয় ধরনের পশু দিয়ে কোরবানি করা জায়েয। এ ছাড়া অন্য কোনো পশু দ্বারা কোরবানি করা বৈধ নয়।
কোরবানির পশুর বয়স
ছাগল, ভেড়া, দুম্বা কমপক্ষে পূর্ণ এক বছর বয়সের হতে হবে। এর চেয়ে কম বয়সের ছাগল, ভেড়া, দুম্বা যদি এমন মোটাতাজা হয় যে, এক বছর বয়সীদের মধ্যে ছেড়ে দিলে তাদের চেয়ে ছোট মনে হয় না, তাহলে এর দ্বারা কোরবানি জায়েজ আছে। তবে অন্তত ছয় মাস বয়স হতেই হবে।
গরু ও মহিষের বয়স কমপক্ষে দুই বছর হতে হবে।
উটের বয়স কমপক্ষে পাঁচ বছর হতে হবে।
কোরবানির পশু হƒষ্টপুষ্ট হওয়া উত্তম।
যে পশু লেংড়া অর্থাৎ যা তিন পায়ে চলতে পারে, এক পা মাটিতে রাখতে পারে না বা রাখতে পারলেও ভর করতে পারে না এধরনের পশু দ্বারা কোরবানি হবে না।
যে পশুর একটিও দাঁত নেই, এর কোরবানি হবে না।
যে পশুর কান জš§ থেকেই নেই, এর দ্বারা কোরবানি হবে না।
যে পশুর শিং মূল থেকে ভেঙে যায়, এর দ্বারা কোরবানি হবে না।
যে পশু দুই চোখের কোনো চোখেই দেখে না বা একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি এক-তৃতীয়াংশ বা তার বেশি নষ্ট তা দ্বারা কোরবানি জায়েজ নয়।
যে পশুর একটি কান বা লেজের এক-তৃতীয়াংশ কিংবা এর চেয়ে বেশি কেটে গেছে এমন পশু কোরবানি হবে না।
যে পশু জবেহ করার স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না এমন কৃশকায় ও দুর্বল পশু কোরবানি হবে না।
পছন্দসই ভাল পশু কেনার পর এমন দোষত্রুটি দেখা দিয়েছে যার কারণে কোরবানি বিশুদ্ধ হয় না, এমনটি হলে সেটি দিয়েই কোরবানি চলবে।
গর্ভবতী পশু কোরবানি করা জায়েজ। যদি পেটের বাচ্চা জীবিত পাওয়া যায় তাহলে সে বাচ্চাও জবেহ করে দিতে হবে। তবে প্রসবের নিকটবর্তী পশু কোরবানি দেয়া মাকরুহ।
বন্ধ্যা পশু কোরবানি করা জায়েজ আছে।