পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

যে নামাযে বার বছরের সওয়াব অর্জন হয়

Posted on September 1, 2015 | in ইসলাম | by

মাগরিবের ফরয এবং সুন্নাতের পর কমপক্ষে ছয় রাকআত এবং সর্বাপেক্ষা বিশ রাকআত নফলকে আওয়াবীনের নামায বলা হয়। হাদিসে এই ছয় রাকাত আওয়াবীনের ফযিলতের বার বছরের ইবাদত করার সওয়াব অর্জিত হওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে। অপর এক হাদিসে বিশ রাকআত পাঠ করলে জান্নাতে আল্লাহ তার জন্য একটা ঘর তৈরি করবেন বলা হয়েছে।8459_Preaching2BAuthentic2BIslam2Bin2BBangla_thumb_big
এ নামাযটির ব্যাপারে কয়েকটি হাদিস
হযরত হুযাইফা (রা) বলেন “আমি নবীজি (সা)-র কাছে এসে তার সাথে মাগরীবের সালাত আদায় করলাম। তিনি মাগরীবের পরে ইশার সালাত পর্যন্ত নফল সালাতে রত থাকলেন।” সহীহ হাদিস। (ইবনু আবী শাইবা, মুসান্নাফ, নসাঈ, সুনানুল কুবরা)।
অন্য হাদীসে আনাস (রা) বলেন, সাহাবায়ে কেরাম মাগরীব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে সজাগ থেকে অপেক্ষা করতেন এবং নফল সালাত আদায় করতেন।”
হযরত হাসান বসরী বলতেন, ইশার মধ্যবর্তী সময়ের নামাযও রাতের নামায বা তাহাজ্জুদের নামায বলে গণ্য হবে। (বাইহাকী, আস সুনানুল কুবরা)।
আওয়াবীনের নামাযের নাম নিয়ে বিভ্রান্তি
অনেকে বলেন, সালাতুদ দুহাই (চাশতের নামায) হল আওয়াবীনের নামায। সুতরাং মাগরিবের পরের নফল নামাযকে আওয়াবীনের নামায বলা ভুল। এবং এই নামাযের কোনো ভিত্তি নেই। তাদের ধারণাটি ভুল।
চাশতকে আওয়াবীনের নামায বলা হলে এ একথা বলাও কি অপরিহার্য যে, মাগরিবের পরের নফল নামাযও আওয়াবীনের নামায হবে না? বা সেটাকে আওয়াবীনের নামায বলা ঠিক হবে না? এটা তো ফজর মাগরিবের মতো ওয়াক্তের সাথে সম্পৃক্ত কোনো নাম নয় যে, এক নাম দুই নামাযের জন্য হতে পারবে না। সালাতুল আওয়াবীনের অর্থ কী? এর অর্থ হল, যারা খুব বেশি আল্লাহমুখী হয় তাদের নামায। তাছাড়া অনেক সাহাবী-তাবেয়ীন থেকে সহীহ সনদে মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময় নফল পড়ার বিষয়টি প্রমাণিত।
নামাযটি নিয়ে একটি ভুল ধারণা
কারো কারো ধারণা, আওয়াবীনের নামায নির্দিষ্টভাবে ছয় রাকাত। অতএব যদি কেউ আওয়াবীন পড়তে চায় তাহলে তাকে ছয় রাকাতই পড়তে হবে। অন্যথায় পড়বে না। এমন ধারণা অবশ্যই পরিহারযোগ্য। এখানে মাগরিবের পর দুই রাকাত সুন্নতের পর দুই রাকাত, চার রাকাত, ছয় রাকাত যত রাকাত ইচ্ছা কেউ পড়তে পারে। এক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে এমন কোনো রাকাত সংখ্যা নেই যার বিপরীত করাটা গুনাহ বা মাকরূহ! এক হাদীসে তো এসেছে, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের পর থেকে ইশা পর্যন্ত নামায পড়েছেন। সহীহ ইবনে খুযাইমা,
নামাযের নিয়ত
আমি দুই রাকাত আওয়াবীনের নিয়ত করছি।

Comments are closed.

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud