April 30, 2026
ফিচার ডেস্ক : বাংলা শব্দার্থবিধি অনুসারে ‘অলস’ শব্দের অর্থ হলো যার কর্মে উৎসাহ বা উদ্যম নেই। মানবকূলের কার্য এবং কারণের ইতিহাস ঘাটলে আমরা দেখতে পাবো যে কার্যের একছত্র অধিপতি হিসেবে মানুষ নিজেকে দাড় করিয়েছে। আর এই কর্মের প্রতি মানুষের আধিপত্যের কারণে কার্যের সকল গুনাগুনই মানুষের কাধে বর্তায়। যেমন ধরা যাক, মানুষকে বলা হচ্ছে কঠোর পরিশ্রমী কিংবা নোংরা। তেমনি আবার মানুষের কার্যের গতিপ্রকৃতি অনুসারে মানুষকে আলসেও বলা হয়। কিন্তু আজ আমরা প্রকৃতির এমন একটি সৃষ্টিকে দেখবো, যাকে দেখলে আপনি নিজেও তাকে অলস বলবেন।
উষ্ণতা এবং আর্দতাপূর্ণ জলবায়ুর জন্য ইন্দোনেশিয়া বেশ সুপরিচিত। বর্হিদেশিয় পর্যটকদের জন্য ইন্দোনেশিয়ায় ঘুরে বেড়ানো কিছুটা হলেও কষ্টকর। একই দিনের মধ্যে রোদ-বৃষ্টি সহ্য করে খুব কম মানুষেরই ঘুরতে ভালো লাগে। তবু এরকম আবহাওয়ার মাঝেই আলোকচিত্রী কুরিত আফসেন ঘুরে বেড়িয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে।
অনেক জায়গা ঘুরে যখন তিনি নিজ বাড়িতে ফিরলেন তখন নিজের বাড়ির পেছনেই আবিষ্কার করলেন এক অভূতপূর্ব দৃশ্য এবং সঙ্গে সঙ্গে তা বন্দী করলেন ক্যামেরায়।
৩৪ বছর বয়সী কুরিতের তোলা ছবিতে দেখা যায় একটি ব্যাঙ খুব আরামে চলমান একটি শামুকের পিঠে চড়ে ঝিমুচ্ছে। প্রকৃতির নিয়ম অনুযায়ী ব্যাঙ হাটতে বা দৌড়াতে পারে
না, কিন্তু তার রয়েছে লাফ দেবার বিচিত্র প্রবনতা। এই লাফ দিতে দিতেই একটা সময় ব্যাঙ পেড়িয়ে যায় অনেকটা পথ। অথচ সেই ব্যাঙই যখন খুবই শ্লথ গতিতে হাঁটা শামুকের পিঠে চড়ে বেড়ায় তখন সেটা অবশ্যই দেখার মতো কোনো বিষয় হয়।