April 22, 2026
নিউজ,ঢাকা: পল্টন থানার দ্রুতবিচার আইনের একটি মামলায় বিএনপির ৪৩ নেতামকর্মীর বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণকালে অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্য দেয়ায় বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষকে সতর্ক করলেন বিচারক। বলেন, ‘যেহেতু আপনারা রাষ্ট্রের টাকা নিচ্ছেন তাই আপনাদের সতর্ক করা প্রয়োজন।’ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তারেক মইনুল ইসলাম ভুইয়া তাদের সতর্ক করেন। এদিন ওই আদালতে বাদী এসআই ইদ্রিস আলীসহ পাঁচজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ও বিএনপির ঢাকা মহানগরের সমস্য সচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। সাক্ষ্য প্রদানের শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিতি না থাকলেও ২০ মিনিট পর তারা আদালতে প্রবেশ করেন। ইদ্রিস আলীর পূর্ব প্রস্তুতি না থাকায় অসঙ্গতিপূর্ণ জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন বাদীকে জেরা করার সময় অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্যের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বাদীর বক্তব্যকে সঙ্গতিপূর্ণ করার চেষ্টা করলে আদালতে একটি বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। এসময় আসামিপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী বাদীকে জেরা করার বিষয়ে তাদের কোনো পূর্ব প্রস্তুতি না থাকায় এদিনের মতো সাক্ষ্য গ্রহণ মুলতবি রাখার জন্য আদালতের কাছে প্রার্থনা জানান।
আইনজীবী অ্যাডভোকেট সালমা হাই টুনি বাদীর পুনঃজবানবন্দি গ্রহণের জন্য একটি রিকল পিটিশন দাখিল করবেন বলে আদালতকে জানান। উভয় পক্ষের বক্তব্য শেষে বিচারক আগামী ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি করেন। সব শেষে বিচারক বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদেরকে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের বিষয়ে আরো যত্নশীল হতে বলেন।
, ‘আমার কাছে উভয় পক্ষই সমান। আপনারা যা বক্তব্য দেবেন আমি তাই লিপিবদ্ধ করবো। কিন্তু যেহেতু আপনারা রাষ্ট্রের টাকা নিচ্ছেন সেহেতু এ ব্ষিয়ে সতর্ক করা প্রয়োজন।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বাদীকে নিয়ে যথা সময়ে আদালতে না আসায় এবং সুষ্ঠুভাবে সাক্ষ্য প্রদানে ব্যর্থ হওয়ায় নানাভাবে ভর্ৎসনা করা হয়।
, এ মামলার বাদী সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদালতে এসে তার সাক্ষ্য প্রদানের কথা আদালতকে অবহিত করেন। যদিও সকাল ৯টার আগেই আদালতে এসে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষ্য প্রদান বিষয়ে প্রস্তুতি নেয়ার সাধারণ নিয়ম প্রচলিত রয়েছে।