May 5, 2026
ঢাকা: কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর (বীরোত্তম) বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে রাজাকার বলায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মজুমদার। মামলাটিতে দীর্ঘদিন আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ঢাকার অতিরিক্ত সিএমএম আলী মাসুদ শেখ এ পরোয়ানা জারি করেন। মঙ্গলবার মামলাটিতে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কাদের সিদ্দিকী গত ১৪টি তারিখে অনুপস্থিত থাকায় আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন। এ ছাড়া বিনা তদবিরে গত ১৪টি তারিখে হাজির না হওয়ায় মামলাটি কেন খারিজ করা হবে না মামলার বাদীকে পরবর্তী তারিখে আদালতে স্বশরীরে হাজির হয়ে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১১ ডিসেম্বর চার্জ শুনানি ও বাদীর কারণ দর্শানোর জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। গত বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি ধানমণ্ডির ৭/৮-এ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট হাতিরপুলের বাসিন্দা মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণমূলক সংগঠন ন্যাশনাল এফএফ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মজুমদার সে সময়কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরের পক্ষে ঢাকার সিএমএম আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি কাদের সিদ্দিকী ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সম্মেলনে বলেন, ‘রাজাকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেখে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্ভব নয়’। যা পরদিন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়, মহীউদ্দীন খান আলমগীর শুধু সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, তিনি অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার একজন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও জনপ্রিয় লেখক। মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়. স্বাধীনতা যুদ্ধে তার পরিবারের সদস্যরা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের অংশীদারিত্ব জাতির কাছে প্রমাণিত। ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর কিংবা তার পরিবারের কেউই রাজাকার নন মর্মে মামলায় দাবি করা হয়েছে।