পৃথিবীকে জেনে নিন আপনার ভাষায়….24 Hrs Online Newspaper

ভারতের কাছে নূর হোসেনের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ

Posted on June 16, 2014 | in জাতীয় | by

NURঢাকা: নারায়ণগঞ্জের চাঞ্চল্যকর অপহরণ ও সাত খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের কাছে তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। সোমবার বিকেলে ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাই কমিশনের মাধ্যমে তথ্য চায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বাংলানিউজকে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করা হয়েছে। আমরা ভারতীয় হাইকমিশনের মাধ্যমে নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তথ্য চেয়েছি। এর আগে দুপুরে নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের দুপুরে জানান, নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাওয়ার পর নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এ প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।

গত শনিবার রাতে ভারতের কলকাতা পুলিশ নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের কলকাতার দমদম নেতাজী সুভাস চন্দ্র বোস বিমানবন্দরের পাশে কৈখালী এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার করে। রোববার স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, নূর হোসেন ও তার সহযোগীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই তাদের বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবো। নারয়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট চন্দন সরকারসহ সাত খুনের মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনের বিরুদ্ধে গত ২৭ মে রেড ওয়ারেন্ট জারি করে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল। ফ্রান্সভিত্তিক এ প্রতিষ্ঠানটি ২৭ মে বিকেলে তাদের ওয়ানটেড পারসনের রেড ওয়ারেন্ট পাতায় নূর হোসেনের নাম সংযুক্ত করে।

এর আগে রেড ওয়ারেন্টভূক্ত করতে গত ২২ মে পুলিশ সদর দফতরকে চিঠি দেয় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ প্রশাসন। পরে পুলিশ সদর দফতর রেড ওয়ারেন্টের জন্য ইন্টারপোলকে চিঠি দেয়। নূর হোসেন ভারতে পালিয়ে আছেন বলে নিশ্চিত হয়েছিল র‌্যাব।
গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম এবং আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজন অপহৃত হন।

অপহরণের পরপরই নজরুলের পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নূর হোসেনকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর অভিযোগ অস্বীকার করে সংবাদ মাধ্যমে বক্তব্য দিলেও তিন দিনের মাথায় শীতলক্ষ্যা নদীতে অপহৃতদের লাশ ভেসে ওঠার পর লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান নূর হোসেন। নূর হোসেন ও তার সহযোগীরা র‌্যাবকে ছয় কোটি টাকা দিয়ে নজরুলসহ সাতজনকে হত্যা করিয়েছেন বলে নজরুল ইসলামের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১-এর তখনকার অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এম এম রানাকে অবসরে পাঠানো হয়। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তা গ্রেফতার হন।

সর্বশেষ খবর

আজকের ছবি

www.facebook.com

Tag Cloud